কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

ছিয়াম পালনকারীর জন্য দশটি নছীহত

post title will place here

রামাযান মাসের একটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে ছিয়াম সাধনা। আমরা ছিয়াম পালন করি তার মানে এটা নয় যে, এমনিতেই পরিপূর্ণ প্রতিদান পেয়ে যাব, বরং এর জন্য আমাদেরকে বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক বিষয়ের প্রতিও বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,رُبَّ صَائِمٍ لَيْسَ لَهُ مِنْ صِيَامِهِ إِلَّا الْجُوعُ وَرُبَّ قَائِمٍ لَيْسَ لَهُ مِنْ قِيَامِهِ إِلَّا السَّهَرُ ‘কত ছিয়াম পালনকারী আছে, যাদের ছিয়ামের বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না। কত ছালাত আদায়কারী আছে, যাদের রাত জাগরণ ছাড়া আর কিছুই জোটে না’।[1]

উক্ত হাদীছ প্রমাণ করে যে, ছিয়াম পালনের সাথে আরও কিছু বিষয় গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়াও ইমাম গাযালী রাহিমাহুল্লাহ ছিয়াম পালনকারীদের তিনটি স্তর বর্ণনা করেছেন।[2] আমরা যদি আমাদের ছিয়ামকে সর্বোত্তম প্রতিদান প্রাপ্তির মাধ্যম করতে চাই, তাহলে নিম্নলিখিত ১০টি নছীহতের উপর আমল করার চেষ্টা করব, ইনশা-আল্লাহ! 

১. ছিয়ামসহ সকল ইবাদতে নিয়্যতকে একনিষ্ঠ ও বিশুদ্ধ রাখা (إِخْلَاصُالنِّيَّةِفِيالصِّيَامِوَكُلِّالْعِبَادَاتِ): প্রত্যেক ইবাদতে নিজের নিয়্যত বিশুদ্ধ রাখা, বিশেষ করে ছিয়াম পালনে। ইবাদতে নিয়্যত বিশুদ্ধ করা খুব কঠিন কাজ। যেমন- ইমাম সুফিয়ান ছাওরী রাহিমাহুল্লাহ বলেন,مَا عَالَجْتُ شَيْئًا أَشَدَّ عَلَيَّ مِنْ نِيَتيِ إنَّها تَقْلَّبُ عَلَيَّ অর্থাৎ ‘আমার নিয়্যতকে ঠিক করার চেয়ে বেশি কঠিন কোনো কিছু পাইনি, আমার কাছে সেটা বারবার পরিবর্তন হতে থাকে’।[3]

ছিয়াম রাখা অবস্থায় লোকের সামনে নিজের ছিয়ামকে নিয়ে প্রশংসা করা উচিত নয়। যেমন- আমি ছিয়াম পালন করছি তো বেশি ভালো লাগছে, সারা বছর ছিয়াম থাকলে আমার জন্য আরও ভালো ইত্যাদি। 

২. অধিকহারে আল্লাহকে স্মরণ করা তথা যিকিরে মশগূল থাকা (الإِكْثَارُمِنْذِكْرِاللهِ): ছিয়াম অবস্থায় অধিকহারে আল্লাহকে স্মরণ করা। যে কোনো ইবাদতে আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করলে সেই ইবাদতের মর্যাদা অধিক বেড়ে যায়। এ প্রসঙ্গে ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ বলেন, ইবাদতকারীর মধ্যে সেই ব্যক্তি বেশি উত্তম, যে তার ঈবাদতে অধিক পরিমাণে আল্লাহকে স্মরণ করে। সুতরাং সর্বোত্তম ছিয়াম পালনকারী সেই ব্যক্তি, যে অধিকহারে অনুরূপভাবে অন্যান্য ইবাদতেও আল্লাহকে স্মরণ করে।[4]

৩. ছিয়ামকে গুনাহ ও হারাম কাজ থেকে হেফাত করা (حِفْظُ الصِّيَامِ مِنَ الْمُحَرَّمَاتِ وَالذُّنُوبِ): ছিয়ামকে হারাম জিনিস থেকে সুরক্ষিত রাখা। যেমন- মিথ্যা কথা বলা, ধোঁকা দেওয়া, গালমন্দ করা, পরনিন্দা করা ইত্যাদি। নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْعَمَلَ بِهِ فَلَيْسَ للهِ حَاجَةٌ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা এবং সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তার এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই’।[5]

অন্যত্র নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,أَتَدْرُونَ مَا الْمُفْلِسُ‏"‏‏.‏ قَالُوا الْمُفْلِسُ فِينَا مَنْ لاَ دِرْهَمَ لَهُ وَلاَ مَتَاعَ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ إِنَّ الْمُفْلِسَ مِنْ أُمَّتِي يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِصَلاَةٍ وَصِيَامٍ وَزَكَاةٍ وَيَأْتِي قَدْ شَتَمَ هَذَا وَقَذَفَ هَذَا وَأَكَلَ مَالَ هَذَا وَسَفَكَ دَمَ هَذَا وَضَرَبَ هَذَا فَيُعْطَى هَذَا مِنْ حَسَنَاتِهِ وَهَذَا مِنْ حَسَنَاتِهِ فَإِنْ فَنِيَتْ حَسَنَاتُهُ قَبْلَ أَنْ يُقْضَى مَا عَلَيْهِ أُخِذَ مِنْ خَطَايَاهُمْ فَطُرِحَتْ عَلَيْهِ ثُمَّ طُرِحَ فِي النَّارِ‏ ‘তোমরা কি বলতে পার, নিঃস্ব লোক কে?’ তারা বললেন, আমাদের মাঝে যার দিরহাম (টাকা-পয়সা) ও ধন-সম্পদ নেই, সেই তো নিঃস্ব লোক। তখন তিনি বললেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে সেই প্রকৃত নিঃস্ব লোক, যে ব্যক্তি ক্বিয়ামতের দিন ছালাত, ছওম ও যাকাত নিয়ে আসবে; অথচ সে এ অবস্থায় আসবে যে, সে কাউকে গালি দিয়েছে, কাউকে অপবাদ দিয়েছে, অমুকের সম্পদ ভোগ করেছে, অমুককে হত্যা করেছে এবং অমুককে প্রহার করেছে। এরপর সে ব্যক্তিকে তার নেক আমল থেকে দেওয়া হবে, অমুককে নেক আমল থেকে দেওয়া হবে। এরপর যদি পাওনাদারের অধিকার তার নেক আমল থেকে পূরণ করা না যায়, তাহলে সে ঋণের পরিবর্তে তাদের পাপের একাংশ তার প্রতি নিক্ষেপ করা হবে। এরপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে’।[6]

শুধু পানাহার না করেই পরিপূর্ণ ছিয়াম পালন করা যায় না, বরং তার সাথে অন্যান্য হারাম জিনিস থেকে বেঁচে থাকতে হবে। ইবনু রজব আল-হাম্বলী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, قَالَ بَعْضُ السَّلَفِ: أَهْوَنُ الصِّيَامِ: تَرْكُ الشَّرَابِ وَالطَّعَامِ অর্থাৎ ‘কতিপয় সালাফ বলেছেন যে, সবচেয়ে সহজতর ছিয়াম হচ্ছে পানাহার পরিহার করা’।[7]

৪. ফরয ইবাদতসমূহ, বিশেষত সময়মতো ছালাত আদায় করা (الْحِفَاظُعَلَىالْفَرَائِضِ،خَاصَّةًالصَّلَاةَفِيوَقْتِهَا): ছিয়াম অবস্থায় ফরয বিধানগুলোর প্রতি খেয়াল রাখা, বিশেষত পাঁচ ওয়াক্ত ছালাতের প্রতি। আর সম্ভব হলে মসজিদে বসে বসে এক ছালাতের পর আরেক ছালাতের জন্য অপেক্ষা করা। সেটা সম্ভব না হলে কমপক্ষে আযানের কিছুক্ষণ আগে বা জামাআতের আগে এসে অপেক্ষা করা।

৫. কুরআনের সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা (الْعِنَايَةُبِالْقُرْآنِ): কুরআনের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে হবে। যেহেতু রামাযান মাস কুরআনের কারণেই ফযীলতপূর্ণ। অতএব, এই মাসে বিশেষ করে কুরআনের সাথে আমাদের সম্পর্ক বাড়ানো উচিত। তেলাওয়াত করে হোক অথবা অর্থসহ পড়ে হোক, আমাদেরকে কুরআনের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে হবে। কুরআন তেলাওয়াতের ফযীলত সম্পর্কে নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,مَنْ قَرَأَ حَرْفًا مِنْ كِتَابِ اللهِ فَلَهُ بِهِ حَسَنَةٌ، وَالْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا، لَا أَقُولُ {الم} حَرْفٌ، وَلَكِنْ {أَلِفٌ} حَرْفٌ، وَ{لَامٌ} حَرْفٌ، وَ{مِيمٌ} حَرْفٌ ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ পাঠ করবে, তার জন্য এর কারণে একটি ছওয়াব আছে। আর ছওয়াবটি তার ১০ গুণ বৃদ্ধি পায়। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মীম একটি হরফ’।[8] হাদীছে এসেছে,كَانَ جِبْرِيْلُ يَلْقَاهُ فِيْ كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ رَمَضَانَ فَيُدَارِسُهُ الْقُرْآنَ ‘রামাযান মাসে প্রত্যেক রাতে আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে যখন জিবরীল আলাইহিস সালাম দেখা করতেন, তখন আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কুরআন পাঠ করে শুনাতেন’।[9]

ইবনু রজব আল-হাম্বলী রাহিমাহুল্লাহ কতিপয় সালাফের ব্যাপারে বলেন যে, কেউ কেউ তিন দিনে কুরআন পড়ে শেষ করতেন, কেউ সাত দিনে, আবার কেউ দশ দিনে। এছাড়াও ইমাম মালেক রাহিমাহুল্লাহ-এর ব্যাপারে বলেন যে, রামাযান মাস আগমন করলে তিনি হাদীছ ও অন্যান্য দারস ছেড়ে কুরআনের দিকে মনোনিবেশ করতেন।[10]

উল্লেখ্য, তিন দিনের কমে কুরআন শেষ করার যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেটা ফযীলতপূর্ণ সময় ও ফযীলতপূর্ণ জায়গার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।[11]

৬. রামাযানের প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগানো এবং সময় নষ্ট না করা (اغْتِنَامُ الْوَقْتِ وَعَدَمُ تَضْيِيعِهِ فِي رَمَضَانَ): বিশেষ করে রামাযান মাসে প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে এবং সময় নষ্ট করা হতে বিরত থাকতে হবে। কারণ এর জন্য আল্লাহ তাআলা হিসাব নিবেন। নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,لا تَزُولُ قَدَمَا عَبْدٍ يَومَ القِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ عُمُرِهِ فِيمَ أَفْنَاهُ؟ ‘ক্বিয়ামতের দিন বান্দার পা দুখানা সরবে না (আল্লাহর দরবার থেকে তাকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না), যতক্ষণ না তাকে প্রশ্ন করা হবে তার আয়ু সম্পর্কে, সে তা কীসে ব্যয় করেছে?’[12]

ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, إِضَاعَةُ الْوَقْتِ أَشَدُّ مِنَ الْمَوْتِ؛ لِأَنَّ إِضَاعَةَ الْوَقْتِ تَقْطَعُكَ عَنِ اللَّهِ وَالدَّارِ الْآخِرَةِ، وَالْمَوْتُ يَقْطَعُكَ عَنِ الدُّنْيَا وَأَهْلِهَا ‘সময় নষ্ট করা মৃত্যুর চেয়ে কঠিন ব্যাপার। কারণ সময় নষ্ট করলে আল্লাহ ও পরকাল থেকে সম্পর্ক ছিন্ন হয় আর মৃত্যু দুনিয়া ও দুনিয়াবাসী থেকে সম্পূর্ণ ছিন্ন করে’।[13] 

৭. ঈমান ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ছিয়াম ও ক্বিয়াম করা (أَنْيَكُونَالصِّيَامُوَالْقِيَامُإِيمَانًاوَاحْتِسَابًا): রবের নিকট নেকীর উদ্দেশ্যেই ছিয়াম পালন করা উচিত। ছিয়ামের ফযীলতের প্রতি বিশ্বাস রেখে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই করতে হবে তা পালন করতে হবে। 

৮. দান-ছাদাক্বা করা এবং মানুষের প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শন করা (الْعِنَايَةُ بِالْعَطَاءِ وَالإِحْسَانِ إِلَى النَّاسِ): রামাযান মাস বিশেষভাবে দান-খয়রাতের মাস। অতএব, এই মাসে নিজ সাধ্যমতো অধিক পরিমাণে দান-ছাদাক্বা করা উচিত। হাদীছে এসেছে,لَرَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِيْنَ يَلْقَاهُ جِبْرِيْلُ أَجْوَدُ بِالْخَيْرِ مِنْ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ ‘আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে যখন জিবরীল আলাইহিস সালাম দেখা করতেন, তখন তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য প্রবাহিত বাতাসের চেয়েও বেশি দানশীল হতেন’।[14]

৯. ছিয়ামের বিধি-বিধান সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা (الْحِرْصُعَلَىالتَّفَقُّهِفِيأَحْكَامِالصِّيَامِ): ইবাদতের পদ্ধতি যদি শুদ্ধ না হয়, তাহলে সেটা রবের নিকট গৃহীত হবে না। তাই যেকোনো ইবাদতের পূর্বে সে সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা জরুরী, অনুরূপভাবে রামাযান মাসের বিধি-বিধান সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা উচিত। 

১০. দুআর প্রতি যত্নবান হওয়া এবং অধিকহারে দুআ করা (الْعِنَايَةُبِالدُّعَاءِوَالإِكْثَارُمِنْهُ): মহান আল্লাহ বলেন, وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ فَلْيَسْتَجِيبُوا لِي وَلْيُؤْمِنُوا بِي لَعَلَّهُمْ يَرْشُدُونَ ‘আর যখন আমার বান্দাগণ তোমাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে, নিশ্চয় আমি তো নিকটবর্তী। আমি আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দেই, যখন সে আমাকে ডাকে। সুতরাং তারা যেন আমার ডাকে সাড়া দেয় এবং আমার প্রতি ঈমান আনে। আশা করা যায়, তারা সঠিক পথে চলবে’ (আল-বাক্বারা, ২/১৮৬)। নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,ثَلاَثُ دَعَوَاتٍ لاَ تُرَدُّ دَعْوَةُ الْوَالِدِ، وَدَعْوَةُ الصَّائِمِ وَدَعْوَةُ الْمُسَافِرِ ‘তিন ব্যক্তির দু‘আ ফিরিয়ে দেওয়া হয় না— ১. সন্তানের জন্য পিতার দু‘আ, ২. ছায়েমের দু‘আ এবং ৩. মুসাফিরের দু‘আ’।[15]

পরিশেষে মহান রবের নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের ছিয়াম-ক্বিয়ামসহ অন্যান্য ইবাদত যথাযথভাবে আদায় করার তাওফীক্ব দান করেন- আমীন!

 মূল: ড. আব্দুর রাযযাক আল-বাদর হাফিযাহুল্লাহ

পরিমার্জিত অনুবাদ: তাওহীদুর রহমান সালাফী

ফারেগ, আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, বানারাস, উত্তরপ্রদেশ, ভারত; শিক্ষক, সরল পথ একাডেমি, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।

 

[1]. ইবনু মাজাহ, হা/১৬৯০, হাদীছটি ছহীহ।

[2]. ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন, ১/২৩৪।

[3]. খতীব আল-বাগদাদী, আল-জামে‘ লি-আখলাকির রাবী ওয়া আদাবিস সামি, ২/২৮৮।

[4]. আল-ওয়াবিলুস সায়্যিব, ১/৭৫।

[5]. ছহীহ বুখারী, হা/১৯০৩।

[6]. ছহীহ মুসলিম, হা/৬৪৭৩।

[7]. লাতায়েফুল মাআরিফ, পৃ. ১৫৫।

[8]. তিরমিযী, হা/২৯১০, হাসান।

[9]. ছহীহ বুখারী, হা/৩২২০।

[10]. লাতায়েফুল মাআরিফ, পৃ. ৩১৮।

[11]. লাতায়েফুল মাআরিফ, পৃ. ৩১৯।

[12]. তিরমিযী, হা/২৪১৭, হাদীছটি ছহীহ।

[13]. আল-ফাওয়ায়েদ, পৃ. ৪৪।

[14]. ছহীহ বুখারী, হা/৩২২০।

[15]. বায়হাক্বী, হা/৬৩৯২; ছহীহুল জামে‘, হা/৩০৩২।

Magazine