কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

রামাযানে কুরআন তেলাওয়াতের গুরুত্ব ও ফযীলত

post title will place here

ভূমিকা:

রামাযান হলো সেই মাস, যে মাসে কুরআন অবতীর্ণ হয়। শুধু তাই নয়, বরং প্রতিটি আসমানী কিতাবই রামাযান মাসে অবতীর্ণ হয়েছিল।[1] জিবরীল আলাইহিস সালাম রামাযানের প্রতি রাতে নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সাক্ষাৎ করতেন। তারা পরস্পরকে কুরআন পাঠ করে শোনাতেন।[2] এ দিক থেকে রামাযান মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্য নেয়ামত। এ মাস কেবল ছিয়াম, ইফতার বা তারাবীহর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং রামাযান মাস হলো কুরআন নাযিলের মাস। মহান আল্লাহ কুরআন নাযিলের জন্যই এ মাসকে নির্বাচন করেছেন। তাই রামাযানে কুরআনের সাথে মুমিনের সম্পর্ক হওয়া চাই আরও গভীর, আরও নিবিড়। কিন্তু দুঃখজনক যে, আজ মানুষ কুরআনকে পরিত্যাগ করেছে। ফলে মানুষ শুধু রামাযান মাসেই কুরআন খতম দিয়ে থাকে এবং বাকি পুরো বছর তা ছেড়ে রাখে। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে আমাদের আলোচনা তাদের জন্য সামান্য হলেও উপকার বয়ে আনবে, ইনশা-আল্লাহ!

রামাযান ও কুরআনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক:

রামাযান মাসেই লাওহে মাহফূয থেকে দুনিয়ার আসমানে কুরআন একেবারে নাযিল করা হয়, এরপর দীর্ঘ ২৩ বছরে পযার্য়ক্রমে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর অবতীর্ণ হয়। এ কারণেই সালাফে ছালেহীন রামাযানে কুরআনের সাথে সম্পর্ককে অন্য সব মাসের তুলনায় বহুগুণ বাড়িয়ে দিতেন। ইমাম যুহরী রাহিমাহুল্লাহ বলতেন, إِنَّمَا هُوَ تِلَاوَةُ الْقُرْآنِ، وَإِطْعَامُ الطَّعَامِ ‘রামাযান আসলে কুরআন তেলাওয়াত ও খাদ্যদানের মাস’।[3]

রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রামাযানের কুরআন তেলাওয়াত:

রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সারা বছরই কুরআনের সাথে যুক্ত থাকতেন, তবে রামাযানে তাঁর তেলাওয়াত আরও বৃদ্ধি পেত। ইবনু আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন,

كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَجْوَدَ النَّاسِ بِالخَيْرِ وَكَانَ أَجْوَدُ مَا يَكُونُ فِي رَمَضَانَ حِينَ يَلْقَاهُ جِبْرِيلُ وَكَانَ جِبْرِيلُ S يَلْقَاهُ كُلَّ لَيْلَةٍ فِي رَمَضَانَ حَتَّى يَنْسَلِخَ يَعْرِضُ عَلَيْهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ القُرْآنَ فَإِذَا لَقِيَهُ جِبْرِيلُ S كَانَ أَجْوَدَ بِالخَيْرِ مِنَ الرِّيحِ المُرْسَلَةِ.

‘নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধনসম্পদ ব্যয় করার ব্যাপারে সকলের চেয়ে দানশীল ছিলেন। রামাযানে জিবরীল আলাইহিস সালাম যখন তাঁর সাথে দেখা করতেন, তখন তিনি আরও অধিক দান করতেন। রামাযানের প্রতি রাতেই জিবরীল আলাইহিস সালাম তাঁর সাথে একবার সাক্ষাৎ করতেন। আর নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কুরআন শোনাতেন। জিবরীল আলাইহিস সালাম যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি রহমতপ্রেরিত বায়ুর চেয়ে অধিক ধনসম্পদ দান করতেন’।[4] রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই আমল প্রমাণ করে যে, রামাযানে কুরআন তেলাওয়াতের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া সুন্নাহ।

কুরআন তেলাওয়াতের সাধারণ ফযীলত:

(১) প্রতিটি হরফে ১০টি ছওয়াব: কুরআন তেলাওয়াত করা একটি ইবাদত। প্রতিটি হরফের জন্য রয়েছে বিরাট ছওয়াব। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,مَنْ قَرَأَ حَرْفًا مِنْ كِتَابِ اللهِ فَلَهُ بِهِ حَسَنَةٌ، وَالحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا، لَا أَقُولُ الم حَرْفٌ ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব থেকে একটি হরফ তেলাওয়াত করবে, তার জন্য একটি নেকী। আর প্রতিটি নেকী ১০ গুণ বৃদ্ধি করা হয়’।[5] রামাযানে যেহেতু নেকীর প্রতিদান আরও বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়, তাই কুরআন তেলাওয়াতের ছওয়াবও হয় অসীম।

(২) কুরআন পাঠে দক্ষ ব্যক্তি ফেরেশতাদের সাথে থাকবে: আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,الْمَاهِرُ بِالْقُرْآنِ مَعَ السَّفَرَةِ الْكِرَامِ الْبَرَرَةِ وَالَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَيَتَتَعْتَعُ فِيهِ وَهُوَ عَلَيْهِ شَاقٌّ لَهُ أَجْرَانِ ‘কুরআনে দক্ষ ও পণ্ডিত ব্যক্তিবর্গ সম্মানিত পুণ্যবান ফেরেশতাদের সঙ্গে থাকবেন। যে ব্যক্তি কুরআন আটকে আটকে তেলাওয়াত করে এবং তা তার জন্য কষ্টকর হয়, তার জন্য দুটি ছওয়াব রয়েছে’।[6]

(৩) মসজিদে বসে কুরআন পড়লে আয়াত পরিমাণ উট অপেক্ষা উত্তম: উক্ববা ইবনু আমের রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,أَفَلَا يَغْدُو أَحَدُكُمْ إِلَى الْمَسْجِدِ فَيَعْلَمُ، أَوْ يَقْرَأُ آيَتَيْنِ مِنْ كِتَابِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ خَيْرٌ لَهُ مِنْ نَاقَتَيْنِ وَثَلَاثٌ خَيْرٌ لَهُ مِنْ ثَلَاثٍ، وَأَرْبَعٌ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَرْبَعٍ، وَمِنْ أَعْدَادِهِنَّ مِنَ الْإِبِلِ ‘তোমাদের কেউ কি এরূপ করতে পার না যে, সকালে মসজিদে গিয়ে মহান আল্লাহর কিতাব থেকে দুটি আয়াত জানবে অথবা পড়বে, এটার তার জন্য দুটি উষ্ট্রীর তুলনায় উত্তম। আর তিনটি আয়াত তিনটি উষ্ট্রী থেকে উত্তম। চারটি আয়াত চারটি উষ্ট্রী থেকে উত্তম। এর চেয়ে অধিক সংখ্যক আয়াত অনুরূপ অধিক সংখ্যক উট থেকে উত্তম’।[7]

রামাযানে কুরআন তেলাওয়াতের বিশেষ ফযীলত:

(১) ছিয়ামের সাথে সাথে কুরআনও সুপারিশ করবে: আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,الصِّيَامُ وَالْقُرْآنُ يَشْفَعَانِ لِلْعَبْدِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَقُولُ الصِّيَامُ: أَىْ رَبِّ مَنَعْتُهُ الطَّعَامَ وَالشَّهَوَاتِ بِالنَّهَارِ فَشَفِّعْنِى فِيهِ. وَيَقُولُ الْقُرْآنُ: مَنَعْتُهُ النَّوْمَ بِاللَّيْلِ فَشَفِّعْنِى فِيهِ. قَالَ فَيُشَفَّعَانِ ‘ছিয়াম ও কুরআন ক্বিয়ামতের দিন বান্দার জন্য আল্লাহর নিকট সুপারিশ করবে। ছিয়াম বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমি তাকে দিনের বেলায় খানাপিনা ও প্রবৃত্তিপরায়ণতা হতে বিরত রেখেছিলাম। অতএব, তার ব্যাপারে আপনি আমার সুপারিশ কবুল করুন। কুরআন বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমি তাকে রাতের বেলা ঘুম থেকে বিরত রেখেছিলাম। অতএব, তার ব্যাপারে আপনি আমার সুপারিশ কবুল করুন। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অতঃপর তাদের উভয়ের সুপারিশ কবুল করা হবে’।[8] উক্ত হাদীছে বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াতের দলীল পাওয়া গেল। আর বেশি বেশি কুরআন পড়লে কুরআন সুপারিশ করবে সেটাও স্পষ্ট জানা গেল।

(২) প্রত্যেকটি নেক কাজের ছওয়াব ১০ থেকে ৭০০ গুণ: রামাযান মাসে প্রত্যেকটি ভালো আমলের জন্য ১০ থেকে ৭০০ গুণ ছওয়াব দেওয়া হয়। আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,كُلُّ عَمَلِ ابْنِ آدَمَ يُضَاعَفُ، الْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا إِلَى سَبْعِمِائَةِ ضِعْفٍ إِلَى مَا شَاءَ الله ‘আদম সন্তানের প্রত্যেকটি নেক আমলের ছওয়াব ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়’।[9] রামাযান মাসে এত ছওয়াব, অথচ রামাযানের বাইরে ছিল প্রতিটি হরফে ১০টি নেকী। এ হাদীছ থেকে রামাযান মাসে কুরআন তেলাওয়াতের গুরুত্ব ও ফযীলত প্রমাণিত হয়।

(৩) কুরআন তেলাওয়াতকারী সবোর্ত্তম ব্যক্তি: যে ব্যক্তি মহাগ্রন্থ আল-কুরআন পড়বে, তার মযার্দাও মহান। উছমান রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ ‘তোমাদের মধ্যে সবোর্ত্তম ঐ ব্যক্তি, যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অপরকে শিক্ষা দেয়’।[10]

কী পরিমাণ সম্মান রয়েছে কুরআন তেলাওয়াত এবং কুরআন শিক্ষাদানের মধ্যে তা বলে বুঝানো যাবে না। আমাদের উচিত এই পবিত্র রামাযান মাসে ছিয়াম পালনের পাশাপাশি অধিকহারে কুরআন তেলাওয়াত করা এবং তা শিক্ষা দেওয়া।

(৪) কুরআন তেলাওয়াতকারীর জন্য প্রাপ্তি মহান প্রতিদান: কুরআন পাঠকারীর জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে মহা প্রতিদান রয়েছে। সুতরাং আমাদের উচিত আজরে আযীম তথা মহা প্রতিদানের আশায় কুরআন তেলাওয়াত করা। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,يُقَالُ لِصَاحِبِ الْقُرْآنِ: اقْرَأْ وَارْتَقِ وَرَتِّلْ كَمَا كُنْتَ تُرَتِّلُ فِي الدُّنْيَا فَإِنَّ مَنْزِلَكَ عِنْدَ آخِرِ آيَةٍ تَقْرَؤُهَا ‘ক্বিয়ামতের দিন অধ্যয়নকারীকে বলা হবে, কুরআন পাঠ করতে থাকো এবং উপরে উঠতে থাকো, দুনিয়াতে যেভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করতে সেভাবে পাঠ করতে থাকো। যে আয়াতে তোমার পাঠ শেষ হবে, সেখানেই তোমার থাকার জায়গা’।[11]

(৫) কুরআন তেলাওয়াতের সাথে জড়িয়ে থাকলে আল্লাহর রহমত ও ভালোবাসা পাওয়া যায়: আমাদের চেষ্টা করতে হবে মসজিদ-মাদরাসা ও দ্বীনী হালাকা ও কুরআন-সুন্নাহর মাহফিলগুলোর সাথে সম্পৃক্ত থাকতে। কুরআন তেলাওয়াত, কুরআনের মর্ম ও বিধি-বিধান শিক্ষার উদ্দেশ্যে সমবেত হতে চেষ্টা করতে হবে। আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,مَا اجْتَمَعَ قَوْمٌ فِي بَيْتٍ مِنْ بُيُوتِ اللهِ يَتْلُونَ كِتَابَ اللهِ، وَيَتَدَارَسُونَهُ بَيْنَهُمْ إِلَّا نَزَلَتْ عَلَيْهِمِ السَّكِينَةُ وَغَشِيَتْهُمُ الرَّحْمَةُ وَحَفَّتْهُمُ الْمَلَائِكَةُ وَذَكَرَهُمُ اللهُ فِيمَنْ عِنْدَهُ ‘যখন কোনো দল আল্লাহর কোনো ঘরে সমবেত হয়ে আল্লাহর কিতাব তেলাওয়াত করে এবং জ্ঞানচর্চা করে, তাদের উপর আল্লাহর পক্ষ হতে প্রশান্তি নাযিল হয়, আল্লাহর রহমত তাদের ঢেকে নেয় এবং মালায়িকা তথা ফেরেশতাগণ তাদেরকে ঘিরে রাখে। আর আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের নিকট গর্বের সাথে তাদের কথা উল্লেখ করেন’।[12]

হৃদয়ের পরিশুদ্ধতা:

রামাযান আত্মশুদ্ধির মাস। কুরআন তেলাওয়াত মানুষের অন্তরকে জীবিত করে, তাক্বওয়া বৃদ্ধি করে এবং গুনাহ থেকে দূরে রাখে।

লায়লাতুল ক্বদরের প্রস্তুতি:

লায়লাতুল ক্বদর কুরআন নাযিলের রাত। যে ব্যক্তি রামাযান জুড়ে কুরআনের সাথে যুক্ত থাকে, সে এই রাতের বরকত গ্রহণ করতে বেশি সক্ষম হয়।

উপসংহার:

রামাযান কেবল একটি মাস নয়, বরং এটি কুরআনের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার সুবর্ণ সুযোগ। যে ব্যক্তি রামাযানে কুরআনকে আপন করে নেয়, আল্লাহ তার দুনিয়া ও আখেরাত উভয়ই আলোকিত করে দেন। তাই আসুন, আমরা এই রামাযানে কুরআনের সাথে আমাদের সম্পর্ককে শুধু তেলাওয়াতেই নয়, বরং আমল ও চরিত্রে কুরআনকে ধারণ করি। আল্লাহ আমাদের তাওফীক্ব দান করুন- আমীন!


আব্দুল মালেক বিন ইদ্রিস

বিএ, অনার্স, হাদীছ বিভাগ, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

 

[1]. ত্ববারানী, আল-মু‘জামুল কাবীর, হা/১৮৫, হাদীছটি হাসান।

[2]. ছহীহ বুখারী, হা/৩৬২৪, ৬২৮৫, ৬২৮৬; ছহীহ মুসলিম, হা/২৪৫০; মিশকাত, হা/৬১৩৮।

[3]. ইবনু উছায়মীন, মাজমূআ ফাতাওয়া ওয়া রাসায়েল, ২০/২২২।

[4]. ছহীহ বুখারী, হা/৪৯৯৭; ছহীহ মুসলিম, হা/২৩০৮; ছহীহ ইবনু খুযায়মা, হা/১৮৮৯; মিশকাত, হা/২০৯৮।

[5]. তিরমিযী, হা/২৯১০; দারেমী, হা/৩৩১১; সিলসিলা ছহীহা, হা/৩৩২৭; ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৪১৬; মিশকাত, হা/২১৩৭।

[6]. ছহীহ বুখারী, হা/৪৯৩৭; ছহীহ মুসলিম, হা/৭৯৮।

[7]. ছহীহ মুসলিম, হা/৮০৩; মিশকাত, হা/২১১০।

[8]. বায়হাক্বী, শুআবুল ঈমান, হা/১৮৩৯; আহমাদ, হা/৬৬২৬; মাজমাঊয যাওয়ায়েদ, হা/৫০৮১; ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব, হা/৯৮৪, ১৪২৯; মিশকাত, হা/১৯৬৩।

[9]. ছহীহ বুখারী, হা/১৯০৪; ছহীহ মুসলিম, হা/১১৫১।

[10]. ছহীহ বুখারী, হা/৫০২৭; মিশকাত, হা/২১০৯।

[11]. আবূ দাঊদ, হা/১৪৬৪; তিরমিযী, হা/২৯১৪; মিশকাত, হা/২১৩৪, হাদীছটি ছহীহ।

[12]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৯৯; আবূ দাঊদ, হা/১৪৫৫; ইবনু মাজাহ, হা/২২৫; দারেমী, হা/৩৬৮; মিশকাত, হা/২০৪।

Magazine