উত্তর: ফিক্বহী মাসআলা অবশ্যই কুরআন ও হাদীছের ভিত্তিতে হতে হবে। ইজতিহাদ হলেও তা কুরআন ও হাদীছকে সামনে রেখে স্বার্থহীনভাবে হতে হবে। এরপরও যদি কোনো ফাতওয়া শরীআতের দৃষ্টিতে বিদআত বলে গণ্য হয় এবং মানুষ তা নেকীর আশায় করে, তাহলে তাকে বিদআত বলতে হবে এবং যার মাধ্যমে ইজতিহাদ হয়েছে তার জন্য দু‘আ করতে হবে। আর সমাজকে সে আমল থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রশ্নকারী : মোস্তফা মনোয়ার
হারাগাছ, রংপুর।
