কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

বাংলাদেশ সংবাদ হত্যা বাড়ছে সীমান্তে

নতুন বছর শুরু না হতেই সীমান্তে পাল্লা দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলাদেশিদের হত্যাকাণ্ড। হঠাৎ করে সীমান্তে হত্যা-নির্যাতন বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের বিধান না থাকলেও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বারবার ব্যবহার করছে আগ্নেয়াস্ত্র। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১২ মাসে বিএসএফের গুলি ও নির্যাতনে ১৪ বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুলিতে নিহত হয়েছেন ৮ জন। আর ৬ জনকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় বিএসএফের শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয় ১৫ বাংলাদেশী। আর অপহরণ হয় ১৩ বাংলাদেশী। আর এ বছর খোদ জানুয়ারির এক মাসেই বিএসএফের গুলি ও নির্যাতনে ৬ বাংলাদেশীর মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়া গত ১৪ বছরে সীমান্তে ৮৫৪ বাংলাদেশিকে হত্যা করে বিএসএফ।

২০০৫ সাল থেকে এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০০৫ সালে সীমান্তে ১০৪ জনকে হত্যা করে বিএসএফ। যা ২০০৬ সালে গিয়ে দাঁড়ায় ১৪৬ জনে। বিএসএফের হাতে ২০০৭ সালে ১২০ জন, ২০০৮ সালে ৬২ জন, ২০০৯ সালে ৯৬ জন, ২০১০ সালে ৭৪ জন, ২০১১ সালে ৩১ জন, ২০১২ সালে ৩৮ জন, ২০১৩ সালে ২৯ জন, ২০১৪ সালে ৩৩ জন, ২০১৫ সালে ৪৫ জন, ২০১৬ সালে ৩০ জন এবং ২০১৭ সালে ২৫ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়।

এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৫ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর গুলি ও নির্যাতনে ৮৫৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে ২০০৬ সালে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশিকে হত্যা করে বিএসএফ। ঐ বছর বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় ১৪৬ বাংলাদেশী। তবে সবচেয়ে কম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে ২০১৮ সালে। ঐ বছরগুলো ও নির্যাতনে নিহত হয় ১৪ জন। আর পৃথকভাবে গুলিতে ৮ ও নির্যাতনে ৬ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।


Magazine