কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

শতাব্দীর সেরা চুক্তি ফাঁস

ফিলিস্তীন ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইসরাঈল ঘেঁষা শান্তি পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নানা সময়ে সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক রামাযানের পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার কথা রয়েছে। তবে তার আগেই ইসরাঈলের একটি সরকারপন্থী সংবাদমাধ্যমে ঐ পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাঈলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঐ চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছেন। দুই দেশের পক্ষ থেকে এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’ বা শতাব্দীর সেরা চুক্তি। নিচে ট্রাম্পের কথিত ঐ শান্তি পরিকল্পনার কয়েকটি মৌলিক বিষয় তুলে ধরা হল:

ইসরাঈল, পিএলও এবং হামাসের মধ্যে একটি ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। ফিলিস্তীন নামে কোনও দেশ থাকবে না। চুক্তি অনুযায়ী, নতুন ফিলিস্তীনী রাষ্ট্রের নাম হবে নিউ প্যালেস্টাইন। গাজা উপত্যকা, যিহূদিয়া পার্বত্য এলাকা এবং পশ্চিম তীরের সামারিয়া এলাকা নিয়ে গঠিত হবে নিউ প্যালেস্টাইন। তবে পশ্চিম তীরের ইসরাঈলী বসতিগুলোর ওপর তার কোনও সার্বভৌমত্ব থাকবে না। এসব বসতির সার্বভৌমত্ব থাকবে ইসরাঈলের হাতে। জেরুজালেম নগরী নিয়ে কোনও ভাগাভাগি হবে না। বরং এটি হবে নিউ প্যালেস্টাইন ও ইসরাঈল উভয় দেশের রাজধানী। নগরীর আরব বাসিন্দারা নিউ প্যালেস্টাইনের নাগরিক হিসাবে বিবেচিত হবেন। আর ইয়াহূদীরা ইসরাঈলী নাগরিক হিসাবে সেখানে বসবাস করবেন। ইয়াহূদীরা আরবদের ঘরবাড়ী কিনতে পারবে না। আরবরাও ইয়াহূদীদের বাড়ীঘর কিনতে পারবে না। জেরুজালেমে নতুন আর কোনও এলাকা দখল করা হবে না। পবিত্র স্থানগুলোর বিদ্যমান অবস্থা বজায় থাকবে। উভয় দেশের অখণ্ড রাজধানী জেরুজালেমের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ইসরাঈলের জেরুজালেম পৌরসভার হাতে। তবে সেখানকার শিক্ষা ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ থাকবে ফিলিস্তীনী কর্তৃপক্ষের হাতে। ইসরাঈলের জেরুজালেম পৌরসভার কাছে ট্যাক্স ও পানির বিল সরবরাহ করবে নিউ প্যালেস্টাইন। ফিলিস্তীনে একটি বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য মিসর নতুন জমি দেবে। কলকারখানা নির্মাণ, বাণিজ্যিক ও কৃষি খাতে ব্যবহারের জন্যও নতুন ভূখণ্ড দেবে মিসর। তবে ফিলিস্তীনীরা এখানে বসবাসের সুযোগ পাবে না। লিজ বাবদ মিসরকে মূল্য পরিশোধ করবে নিউ ফিলিস্তীন। লিজ বাবদ ঠিক কী পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করা হবে তা নির্ধারণ করে দেবে মধ্যস্থতাকারী ও সহযোগী দেশগুলো।


Magazine