কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

রামাযানের চাঁদ

দেখ ঐ রামাযানের চাঁদ উঠেছে পশ্চিম আকাশ কোলে,

এসো মুসলিম স্বাগত জানাই তাকে তাকবীর ধ্বনি দিয়ে।

হৃদয় গালিচা পেতে দেই তাকে, শ্রদ্ধা আনন্দ উল্লাসে মাতি,

ওরে একি শুধু চাঁদ? ক্ষমার প্রতীক দেদীপ্ত আলোর জ্যোতি।

এর মাঝে এসেছে রবের মহাবাণী সঠিক পথের দিশা,

এ বাণী সত্য আলোর ঝাণ্ডা, মুছে দেয় জীবনের অমানিশা।

ফেনিব অন্যায়ের তরঙ্গ দোলা পুঞ্জিভূত রাশি রাশি পাপ,

বিলাসী লালসা বাসনা, যুলুম, ক্ষোভ রকমারি অভিশাপ।

সব মুছে আঁকে সরল পথের রূপ, জীবনের নির্দেশিকা,

বাঁকা পথের বর্ণনা বিশেষণে ভরা ভীতিময় বিভীষিকা।

তৃপ্ত জীবনের মুহ্য মুহ্য হাতছানি প্রশান্তির জয়গান,

ন্যায়-অন্যায় পার্থক্যকারী আইয়্যামে জাহেলির অবসান।

হও আগুয়ান ক্ষমার তোহফা দেখ ভরে আছে ডালাভরি,

অনুতপ্ত হৃদয় ফিরে আসি, ক্ষমা দিয়ে দয়াময় ক্ষমাকারী।

যত চাও তত দিবে খুশি হয়ে দিবে আরো অনেক বেশি,

রহমত-বরকত দিবে, মুছে দিবে জীবনের পাপরাশি।

লায়লাতুল ক্বদর লুকিয়ে রামাযানে সু-সজ্জিত হয়ে সাঁজি,

খুঁজতে হবে একাগ্রচিত্তে ভালোবেসে ভয়ে রাত্রি জাগি জাগি।

যদি মিলে যায় ছিয়ামে ভাগ্যরজনী, সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার,

আল্লাহ্র প্রশংসায় খুশি হয়ে বলি আল্লাহু আকবার।

সবকিছু ফেলে শ্রেষ্ঠ মাসে অনুতপ্ত হৃদয়ের জলে ভিজি,

স্রষ্টার কাছে শুধু ক্ষমা চাই, হে স্রষ্টা ক্ষমা কর মোরে আজি।

তুমি ক্ষমা করলে হে গাফূর রহীম, চিত্ত যাবে মোর ভরে,

তারপরেও ক্ষমা চাই হে ক্ষমাকারী, ক্ষমা কর তুমি মোরে।

আসে রামাযান প্রতি বছর রবের নাজাতের বার্তা বহি,

হে বান্দা তোমরা ক্ষমা চেয়ে নেও অনুতপ্ত হৃদে অবগাহি।

ঘন অন্ধকার, কালো পথ, অভিশাপ, অন্যায়, যুলুম হতে,

অনুতপ্ত হয়ে যে ক্ষমা চাবে বঞ্চিত হবে না সে ক্ষমা হতে।

মুহাম্মাদ নূর যামান

পাটগ্রাম, লালমণিরহাট।


Magazine