উত্তর : অমুসলিমদের বই পড়া যাবে কিনা তা নির্ভর করে সেগুলোর বিষয়বস্ত্তর উপর। বিষয়বস্ত্ত যদি ইসলামীক আক্বীদা ও নীতিমালার সাথে কোনভাবে সাংঘর্ষিক হয়, তাতে চরিত্র ও আমল-আক্বীদা নষ্ট হয় কিংবা, নাস্তিকতার প্রতি ধাবিত করে তবে, তা পড়া ও লেখা জায়েয হবে না। ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু একদা তাওরাত লেখা এক টুকরা কাগজ পড়ছিলেন তখন রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা রাগে লাল হয়ে গেল এবং তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের কাছে একটি অতি উজ্জ্বল ও স্বচ্ছ দ্বীন নিয়ে এসেছি। মূসা আলাইহিস সালামও যদি আজ দুনিয়ায় বেঁচে থাকতেন, আমার অনুসরণ ব্যতীত তাঁর পক্ষে অন্য কোন উপায় ছিল না (আহমাদ, হা/১৫১৯৫; বায়হাক্বী-শু‘আবুল ঈমান, হা/১৭৪; মিশকাত, হা/১৭৭)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘মানুষদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প-কাহিনী খরীদ করে যাতে করে সে অজ্ঞতার ভিত্তিতে আল্লাহ তা‘আলার পথ হতে দূরে রাখতে পারে; সে একে হাসি, বিদ্রুপ, তামাশা হিসাবে গ্রহণ করে; তাদের জন্য অপমানকর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে’ (লুক্বমান, ৬)। সুতরাং মুসলিমদের একান্ত আবশ্যক যে কুরআন ও ছহীহ-সুন্নাহভিত্তিক সংকলিত বই-পুস্তক পাঠ করা। উল্লেখ্য যে, ইসলামকে নিয়ে অমুসলিমদের ষড়যন্ত্র, মুসলিমদের তা থেকে সতর্ক করার জন্য তাদের বই পুস্তক পড়া যেতে পারে।
-মিলন হোসাইন
রহিমানপুর, ঠাকুরগাঁও।
