উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা সম্পূর্ণ কুরআন মাজীদকে মুমিনদের জন্য হেদায়াত ও আরোগ্য হিসাবে নাযিল করেছেন। তিনি বলেন, قُلْ هُوَ لِلَّذِيْنَ آمَنُوْا هُدًى وَّشِفَاءٌ ‘বলো, এ কুরআন মুমিনদের জন্য হেদায়াত ও আরোগ্য’ (হা-মীম সাজদা, ৪৪)। তিনি আরও বলেন,وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِيْنَ وَلاَ يَزِيْدُ الظَّالِمِيْنَ إِلاَّ خَسَارًا ‘আমি কুরআন হতে (ক্রমশঃ) অবতীর্ণ করি যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত, কিন্তু তা যালিমদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে (বানী ইসরাঈল, ৮২)। অতএব কুরআন হলো সকল মানসিক ও শারিরীক রোগ-ব্যাধি হতে আরোগ্যদানকারী। সুতরাং কুরআনের যেকোনো আয়াত বা সূরা পাঠ করে ঝাড়-ফুঁক করা ও পানিতে ফুঁক দিয়ে পান করা যায়। এ ছাড়াও হাদীছে বর্ণিত দু‘আ দ্বারা ঝাড়-ফুঁক করা যায়। তবে ঝাড়-ফুঁক ও আসুখ-বিসুখের জন্য রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা নাস, ফালাক্ব দ্বারা ফুঁক দিতেন (বুখারী, হা/৫৭৩৫)।
-আব্দুল আলীম
গোদাগাড়ী, রাজশাহী।
