ইসলামের উপর গবেষণা করতে গিয়ে অল্প বয়সেই মহান এই ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন বেলজিয়ামের তরুণী ভেরোনিক কুলস (২৫)। এরপর মুসলিম বন্ধুদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেন ভেরোনিক। নিজে ইসলাম গ্রহণ করেই দায়িত্ব শেষ করেননি তিনি। ইসলামের সেবায় আত্মনিয়োগ করেন তিনি। নিজের বাড়ীটিকে ইসলামিক সেন্টারে পরিণত করেন ভেরোনিক, যাতে লোকজন ইসলাম সম্পর্কে জানার সুযোগ পায়। ভেরোনিকের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে গত আট বছরে ইসলাম গ্রহণ করেছেন ১ হাযারের বেশি লোক।
তিনি বলেন, ইসলাম সম্পর্কে তার যেসব কুসংস্কার ছিল, তিনি তার ঊর্ধ্বে উঠতে পেরেছেন। তার পরিবার ও নিকট বন্ধুদের সবাই ইসলাম গ্রহণ করেছেন। পবিত্র রামাযানে মুসলিমদের জন্য ইফতার তৈরি করতে করতেই তিনি বলেন, কুসংস্কারের কারণে অনেকে প্রকৃত ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারেন না। মুসলিম হিসাবে সমাজে আরো ভালোভাবে আমাদের উপস্থাপন করার প্রয়োজন রয়েছে। ভেরোনিকের ইসলামিক সেন্টারের সদস্য সংখ্যা ১ হাযার। এদের বেশিরভাগই বেলজিয়ামের নারী। তবে বেলজিয়ামের ৫০ হাযার মুসলিমের সবার জন্যই ভেরোনিকের এই ইসলামিক সেন্টার উন্মুক্ত।
