কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

একটি লিফলেটের ইলমী জবাব (পর্ব-৩)

(জুলাই’২১ সংখ্যায় প্রকাশিতের পর)  

(৫) আমীন অনুচ্চস্বরে বলা : 

এ শিরোনামে একটি হাদীছ পেশ করা হয়েছে যে, ওয়ায়েল বিন হুজর (রা) বলেন, নবী (সা) আমাদের সাথে নিয়ে সালাত আদায়কালে যখন غَيْرِالْمَغْضُوبِعَلَيْهِمْوَلَاالضَّالِّينَপড়তেন তখন তিনি আস্তে আমীন বলতেন (মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৮৫৪; মুসতাদরাকে হাকেম, হা/২৯১৩; তিরমিযী, হা/২৪৮)

জবাব : এটি মুনকার (যঈফ) হাদীছ। মুফতী সাহেব মুসনাদে আহমাদ ও তিরমিযীর দলীল দিলেও দুটি গ্রন্থে মূলত একই হাদীছ রয়েছে। মুসনাদে আহমাদের মুহাক্কিক্ব শু‘আইব আল আরনাউত্ব রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন,حديث صحيح دون قوله: وأخفى بها صوته، فقد أخطأ فيها شعبة ‘হাদীছটি ছহীহ। তবে তিনি আস্তে আমীন বলতেন কথাটি ব্যতীত। কেননা শু‘বা এটি বর্ণনা করতে গিয়ে ভুল করেছেন’।[1] হাদীছটির পূর্ণাঙ্গ তাহক্বীক্ব দেখার পূর্বে ইমাম তিরমিযী রাহিমাহুল্লাহ বর্ণিত জোরে আমীন বলার হাদীছটির তাহক্বীক্ব জানা জরুরী। যা নিম্নরূপ-

عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَرَأَ غَيْرِ المَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ فَقَالَ آمِينَ وَمَدَّ بِهَا صَوْتَهُ وَفِي البَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَأَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثُ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ.

ওয়ায়েল ইবনু হুজর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, আমি নবী কারীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি- তিনি غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّين (তাদের পথ নয়, যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট) পড়তেন ও বলতেন, آمِينَ আমীন। আর তিনি এর (আমীনের) আওয়াজ টেনে উচ্চারণ করতেন। ইমাম তিরমিযী বলেছেন, ওয়ায়েল ইবনু হুজরের হাদীছটি হাসান।[2]

এ হাদীছে জোরে আমীন বলার কথা রয়েছে। একই হাদীছের শেষে আস্তে আমীন বলার কথা রয়েছে। মূল হাদীছে জোরে আমীন বলার কথা থাকলেও মুফতী সাহেব তা এড়িয়ে গিয়েছেন।

সনদের পর্যালোচনা : (১) ইমাম দারাকুত্বনী বলেছেন, هَذَا صَحِيح ‘এটি ছহীহ হাদীছ’।[3] তিনি জোরে আমীন বলা মর্মে অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন। (২) ইবনু হাজার বলেছেন, وسنده صحيح ‘এর সনদটি ছহীহ’।[4] (৩) ইমাম বাগাভী বলেছেন, هَذَا حَدِيث حسن ‘এই হাদীছটি হাসান’।[5] (৪) ইবনুল ক্বাইয়িম বলেছেন, وإسناده صحيح ‘এর সনদটি ছহীহ’।[6] আমাদের ইলম মোতাবেক কোনো নির্ভরযোগ্য ইমাম এই হাদীছকে যঈফ বলেননি। সুতরাং প্রতীয়মান হলো, মুফতী সাহেবের উদ্ধৃত হাদীছের মধ্যেই জোরে আমীন বলার কথা থাকলেও তিনি তা গোপন করেছেন। অথচ হাদীছটি ছহীহ।

শু‘বার আস্তে আমীন বলার রেওয়ায়াত : অর্থাৎ মুফতী সাহেবের পেশকৃত হাদীছটি (মুসনাদে আহমাদ ও তিরমিযীতে বিদ্যমান) শু‘বা হতে বর্ণিত।

তাহক্বীক্ব : সালামা ইবনু কুহায়ল হতে হুজর ইবনু আমবাস ও আলক্বামা ইবনু ওয়ায়েলের সনদের সাথে ইমাম শু‘বা যে রেওয়ায়াতটি বর্ণনা করেছেন, তা সুফিয়ান ছাওরী ও ‘আলা ইবনু ছালেহ এবং অন্যদের রেওয়ায়াতের বিপরীত। শু‘বা হতে মুহাম্মাদ ইবনু জা‘ফর ও ইয়াযীদ ইবনু যুরাঈ أَخْفَى بِهَا صَوْتَهُ (তিনি তার আওয়াজকে নিচু করলেন)-এ শব্দাবলি বর্ণনা করেছেন। আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী, আবূ দাঊদ ত্বয়ালিসী, আমর ইবনু মারযূক ও সুলায়মান ইবনু হারব এবং অন্যরা خَفَضَ بِهَا صَوْتَهُ (তিনি তার আওয়াজকে নিচু করলেন) এবং يَخْفِضُ بِهَا صَوْتَهُ (তিনি আমীন বলার আওয়াজকে নিচু রাখেন)-এ শব্দাবলি বর্ণনা করেছেন।

আবুল ওয়ালীদ ত্বয়ালিসী সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে। তাঁর ছাত্র ইসমাঈল ইবনু ইসহাক্ব আল-ক্বাযী (সর্বসম্মতিক্রমে নির্ভরযোগ্য)-এর বর্ণনায় يَخْفِضُ بِهَا صَوْتَهُ (তিনি আমীন বলার আওয়াজকে নিচু রাখেন) শব্দাবলি রয়েছে। হাকেম ও যাহাবী এই বর্ণনাটিকে ছহীহ বলেছেন। ইবরাহীম ইবনু মারযূক (বিতর্কিত রাবী)-এর বর্ণনায় رَافِعًا بِهَا صَوْتَهُ (তিনি তার আওয়াজকে উঁচু করেন)-এর শব্দাবলি রয়েছে। ইবনু মারযূকের বর্ণনাটি ‘শায’ এবং ইসমাঈল আল-ক্বাযীর বর্ণনাটি ‘মাহফূয’। শু‘বা হতে আব্দুছ ছামাদ এবং ওয়াহব ইবনু জারীর এ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে ‘আস্তে বলেছেন’ বাক্য নেই। বরং قَالَ: آمِينَ (তিনি আমীন বললেন)-এ শব্দগুলি আছে।[7] হাফেয ইবনু হিব্বান এর উপর باب أَنْ يَجْهَرَ بِآمِينَ ‘উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলার অনুচ্ছেদ’ বেঁধেছেন। আব্দুছ ছামাদ ইবনু আব্দিল ওয়ারিছ কুতুবে সিত্তার রাবী এবং তিনি শু‘বা (হতে বর্ণনার)-এর ক্ষেত্রে সত্যবাদী ও শক্তিশালী।[8] ওয়াহব ইবনু জারীরও কুতুবে সিত্তাহর রাবী এবং নির্ভরযোগ্য।[9]

শু‘বা হতে রেওয়ায়াতের ক্ষেত্রে তার ছাত্রদের মতানৈক্য আছে। জমহূর মুহাদ্দিছগণ কতিপয় ত্রুটির কারণে তার এই রেওয়ায়াতটিকে ভুল ও সুফিয়ানের রেওয়ায়াতটিকে সঠিক বলেছেন।

ইমাম বুখারী ও ইমাম আবূ যুরআ শু‘বার আস্তে আমীন বলার হাদীছকে ভুল এবং ছাওরীর জোরে আমীন বলার হাদীছকে অধিক ছহীহ বলেছেন।[10] ইমাম দারাকুত্বনী বলেছেন, يُقَالُ إِنَّهُ وَهِمَ فِيهِ لِأَنَّ سُفْيَانَ الثَّوْرِيَّ وَمُحَمَّدَ بْنَ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ وَغَيْرَهُمَا رَوَوْهُ عَنْ سَلَمَةَ فَقَالُوا: وَرَفَعَ صَوْتَهُ بِآمِينَ وَهُوَ الصَّوَابُ ‘বলা হয়, তিনি (শু‘বা) এতে (এই বর্ণনার মধ্যে) ভুল করেছেন। কেননা সুফিয়ান ছাওরী এবং মুহাম্মাদ ইবনু সালামা ইবনু কুহায়ল এবং অন্যরা সালামা হতে বর্ণনা করেছেন। তারা বলেছেন, আর তিনি স্বরকে উঁচু করতেন আমীন দ্বারা। আর এটিই সঠিক।[11]

ইমাম বায়হাক্বী বলেছেন,وَقَدْ أَجْمَعَ الْحُفَّاظُ: مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ وَغَيْرُهُ عَلَى أَنَّهُ أَخْطَأَ فِي ذَلِكَ মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলসহ অন্যান্য হাদীছের হাফেয ইজমা করেছেন যে, এ বর্ণনার মধ্যে তিনি (শু‘বা) ভুল করেছেন।[12]

শু‘বা বর্ণিত আস্তে আমীন বলার হাদীছের উপর সুফিয়ান ছাওরীর পেশকৃত জোরে আমীন বলার হাদীছটি কতিপয় কারণে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত। যেমন-

(১) সুফিয়ানের (হাদীছকে) ‘আলা ইবনু ছালেহ (ছিক্বাহ) সমর্থন করেছেন। আর শু‘বার কোনো সমর্থনকারী নেই।

(২) সুফিয়ানের রিওয়ায়াতের দুটি সমর্থক বর্ণনা আছে। আর শু‘বার কোনো সমর্থক বর্ণনা নেই।

(৩) জমহূর মুহাদ্দিছগণ শু‘বার রেওয়ায়াতকে ভুল ও সুফিয়ান ছাওরীর রেওয়ায়াতকে সঠিক বলেছেন।

(৪) শু‘বার রিওয়ায়াতের মধ্যে ‘ইযত্বিরাব’ (অসংগতি) রয়েছে। পক্ষান্তরে সুফিয়ানের রেওয়ায়াতের মধ্যে কোনো ‘ইযত্বিরাব’ নেই।[13]

(৫) মুহাদ্দিছদের মূলনীতি ও সংবিধান হলো, সুফিয়ান ও শু‘বার রিওয়ায়াতের মধ্যে যখনই ইখতেলাফ হবে, তখনই সুফিয়ানের রেওয়ায়াত অগ্রাধিকার পাবে। ইমামগণ বলেন-

(ক) ইমাম বায়হাক্বী বলেছেন,لَا أَعْلَمُ اخْتِلَافًا بَيْنَ أَهْلِ الْعِلْمِ بِالْحَدِيثِ أَنَّ سُفْيَانَ وَشُعْبَةَ إِذَا اخْتَلَفَا فَالْقَوْلُ قَوْلُ سُفْيَانَ ‘নিশ্চয়ই সুফিয়ান ও শু‘বা যখন ইখতিলাফ করবে, তখন সুফিয়ানের কথাই প্রাধান্য পাবে’- মর্মে মুহাদ্দিছদের মাঝে কোনো ভিন্নমতের কথা আমি জানি না।[14]

(খ) ইয়াহইয়া আল-কাত্তান বলেছেন, যখন শু‘বা সুফিয়ানের বিরোধিতা করেন, তখন সুফিয়ানের বক্তব্যকে আমি গ্রহণ করি।[15] অর্থাৎ হাদীছ রেওয়ায়াতের মধ্যে সুফিয়ানের উক্তিকে প্রাধান্য দেই।[16]

(৬) ওয়ায়েল ইবনু হুজর রাযিয়াল্লাহু আনহু-এর রেওয়ায়াতের (যেটি সুফিয়ান ছাওরীর সনদের সাথে আছে) পক্ষে অন্যান্য ছাহাবী হতে শাওয়াহেদও (সমর্থক বর্ণনা) রয়েছে। পক্ষান্তরে শু‘বার রেওয়ায়াতের (আস্তে আমীন বলার) পক্ষে কোনো সমর্থক হাদীছ নেই।

উপরিউক্ত আলোচনা দ্বারা প্রতীয়মান হলো, শু‘বা বর্ণিত আস্তে আমীন বলার হাদীছটি সুফিয়ান বর্ণিত জোরে আমীন বলার হাদীছটির বিপরীত হওয়ায় গ্রহণযোগ্য নয়।

জোরে আমীন বলার কয়েকটি ছহীহ হাদীছ : এক্ষণে আমরা কয়েকটি ছহীহ হাদীছ পেশ করছি, যেগুলো জোরে আমীন বলার পক্ষে অকাট্য দলীল। যেমন-

হাদীছ-১ : আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,إِذَا أَمَّنَ الإِمَامُ فَأَمِّنُوا، فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ المَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‘যখন ইমাম আমীন বলে, তখন তোমরাও আমীন বলবে। কেননা যার আমীন ফেরেশতার আমীনের সাথে মিলে যাবে, তার পূর্বের গুণাহসমূহকে মাফ করে দেওয়া হবে’।[17]

হাদীছ-২ : নুআইম আল-মুজমির হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু-এর পিছে ছালাত পড়েছি। এরপর তিনি ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম’ পাঠ করতেন। অতঃপর তিনি ‘সূরা ফাতেহা’ পাঠ করতেন। যখন তিনি

غَيْرِ الْمَغضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّين

(তাদের পথ নয়, যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট হয়েছে) পড়তেন, তখন আমীন বলতেন এবং লোকেরাও আমীন বলতেন।[18]

হাদীছ-৩ : আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতেহা) হতে অবসর হতেন (পাঠ সমাপ্ত করতেন), তখন তার আওয়াজকে উঁচু করতেন এবং তিনি বলতেন, آمين ‘আমীন’।[19]

হাদীছ-৪ : হুজাইয়াহ ইবনু আদী আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শ্রবণ করেছি, যখন তিনি وَلَا الضَّالِّينَ বলতেন, তখন آمِينَ আমীন বলতেন।[20]

হাদীছ-৫ : ইবনু উম্মুল হুসাইন হতে, তিনি তাঁর দাদী হতে (বর্ণনা করেছেন) যে, আমি নবী কারীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ পড়তে শুনেছি। এমনকি যখন তিনি وَلَاالضَّالِّينَ পর্যন্ত পৌঁছলেন, তখন বললেন, آمِينَ ‘আমীন’।[21]

সুতরাং প্রমাণিত হলো, আস্তে আমীন বলার হাদীছটি ছহীহ নয়, যা আমলের অযোগ্য।

 (চলবে)

সৈয়দপুর, নীলফামারী।


[1]. মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৮৫৪।

[2]. জামে‘ তিরমিযী, হা/২৪৮।

[3]. দারাকুত্বনী, হা/১২৬৭।

[4]. আত-তালখীছুল হাবীর, হা/৩৫৩।

[5]. শরহুস সুন্নাহ, হা/৪৮৬।

[6]. ই‘লামুল মুওয়াককিঈন, ২/৩৯৬।

[7]. ছহীহ ইবনু হিব্বান, ৩/১৪৬।

[8]. আত-তাকরীব, রাবী নং ১০৮০।

[9]. আত-তাকরীব, রাবী নং ৭৩৭২।

[10]. তিরমিযী, আল-ই‘লালুল কাবীর, ১/২১৭।

[11]. দারাকুত্বনী, হা/১২৫৬।

[12]. মা‘রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার, ক্রমিক নং ৩১৬৫।

[13]. আত-তালখীছুল হাবীর, ১/৩৩৭।

[14]. ই‘লামুল মুওয়াককিঈন, ২/৩৯৬; আওনুল মা‘বূদ, ৩/২০৭; বায়হাক্বী, আল-খিলাফিইয়াত, ১/৫০ পাণ্ডুলিপি।

[15]. আল-জারহু ওয়াত-তা‘দীল, ৪/২২৩, ২২৪, সনদ ছহীহ; তাহযীবুত তাহযীব, ৪/১০১।

[16]. ইবনু রজব হাম্বলী, শারহু ই‘লালিত তিরমিযী, ১/১৫৬, ১৭৭।

[17]. ছহীহ বুখারী, হা/৭৮০, ‘ইমামের জোরে আমীন বলা’ অনুচ্ছেদ; ছহীহ মুসলিম, হা/৪১০; ফুয়াদ আব্দুল বাকীর, হা/৭২।

[18]. সুনানে ইবনু মাজাহ, হা/৮৫৪, সনদ যঈফ; তবে হাদীছ ছহীহ।

[19]. মু‘জামু আবূ ইয়া‘লা, হা/৩১৩, হাসান লি-যাতিহ।

Magazine