উত্তর : এমতাবস্থায় সন্তান যদি বয়োঃপ্রাপ্ত হয় এবং বিষয়টি জানতে পারে ও তার প্রতিকার করে তাহলে সে গুনাহগার হবে না। কেননা, মহান আল্লাহ বলেন, ‘কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না’ (আল-আনআম, ৬/১৬৪)। তবে এক্ষেত্রে মাকে সূদ খাওয়া থেকে বিরত থাকার উপদেশ দিতে হবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা উত্তম জাতি, তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে মানুষের কল্যাণের জন্য, তোমরা ভালো কাজের আদেশ করবে এবং মন্দ কাজ থেকে মানুষকে বাধা দিবে’ (আলে ইমরান, ৩/১১০)। তিনি আরো বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচো এবং তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও (আত-তাহরীম, ৬৬/৬)। সূদ খাওয়া হারাম। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সুদ খেয়ো না (আল-বাক্বারা, ২/১৩০)। তিনি আরো বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা সূদের অবশিষ্ট সম্পদ বর্জন করো… আর যদি তোমরা তওবা কর, তাহলে তোমাদের জন্য মূলধন’ (আল-বাক্বারা, ২/২৭৮)। উক্ত আয়াত থেকে বুঝা যায় যে, সূদের বকেয়া টাকা বর্জন করতে হবে এবং মূলধন রেখে দিয়ে লভ্যাংশ মালিককে ফেরত দিতে হবে। সুতরাং প্রশ্নকারীর যদি জানা থাকে যে, ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের এত টাকা এই জমি ক্রয় বাবদ খরচ করা হয়েছে, তাহলে সে ঐ পরিমাণ টাকা ছওয়াবের নিয়্যত ছাড়াই গরীব-মিসকীনদের মাঝে দিয়ে দিবে। তাহলে এই জমি তার জন্য ভোগ করা জায়েয হবে। আর যদি জানা না থাকে তাহলেও সে ভোগ করতে পারবে।
-রাউফুর রহীম
গাবতলী, বগুড়া।