উত্তর : শুধুমাত্র দিনের বেলা স্ত্রী মিলন করলে এক ছিয়াম সমান কাফফারা হিসাবে ষাট দিন ছিয়াম বা ষাটজন মিসকীন খাওয়াতে হবে (ছহীহ বুখারী, হা/১৯৩৬; ছহীহ মুসলিম, হা/১১১১; মিশকাত, হা/২০০৪; ফিক্বহুস সুন্নাহ, পৃঃ ৫৯৫)।
যার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নাই এমন স্থায়ীভাবে অসুস্থ ব্যক্তি ও ছিয়াম পালন করতে পারছে না এমন বৃদ্ধ ব্যক্তি প্রতি ছিয়াম সমান একজন মিসকীনকে সোয়া কেজি চাল দিবে )বাক্বারাহ, ১৮৪)।
স্বাভাবিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি ও হায়েযা নারী পরবর্তীতে ছুটে যাওয়া ছিয়ামগুলো ক্বাযা আদায় করে নিবে (বাক্বারাহ, ১৮৪; ছহীহ মুসলিম, হা/৩৩৫; মিশকাত, হা/২০৩২)।
দুগ্ধদানকারিণী ও গর্ভবতী নারীর জন্য দু‘টি রাস্তা খোলা রয়েছে- তারা চাইলে পরে ছুটে যাওয়া ছিয়ামগুলোর ক্বাযা করতে পারে অথবা প্রতিদিন সমান ফিদইয়াস্বরূপ একজন মিসকীনকে সোয়া কেজি চাল দিবে (আবুদাউদ, হা/২৩১৭)।
উপরে উল্লেখিতের বাইরে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ছিয়াম ছেড়ে দিলে তাওবা করবে ও পরবর্তীতে ক্বাযা আদায় করবে। তার জন্য ফিদইয়া বা কাফফারা নাই।
