কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (৯) : তাশাহুদ-এর কোনো শানে নুযূল আছে কী?

উত্তর : ‘শানে নুযূল’ শব্দের অর্থ ‘অবতরণের প্রেক্ষাপট’। শব্দটি সাধারণত কুরআন মাজীদের সূরা বা আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কারণ বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। আর হাদীছ বর্ণিত হওয়ার বিশেষ কোনো কারণ থাকলে সেটাকে বলা হয় ‘শানে উরূদ’। তাশাহুদের শানে উরূদ সম্পর্কে হাদীছে এসেছে, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছালাত আদায় করতাম, তখন বলতাম, ‘আল্লাহর বান্দাদের পক্ষ থেকে তার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। উমুক ও উমুকের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। তখন নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আল্লাহর উপর শান্তি বর্ষিত হোক’ এ কথা তোমরা বলো না। কারণ আল্লাহই হলেন ‘সালাম’ বা শান্তিদাতা। বরং তোমরা বলো, ‘আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াছ ছলাওয়াতু ওয়াত্ব ত্বয়্যিবাতু, আস-সালামু আলায়কা আইয়ুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, আস-সালামু আলায়না ওয়া ‘আলা ইবাদিল্লাহিছ ছলেহীন’ যখন তোমরা এভাবে বলবে তখন আসমান বা আসমান-যমীনে থাকা সকল বান্দার উপর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হবে। এরপরে বলবে, ‘আশহাদু আল-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু’। অতঃপর যা খুশী দু‘আ করবে (ছহীহ বুখারী, হা/৮৩৫; ছহীহ মুসলিম, হা/৪০২; মিশকাত, হা/৯০৯)।

-যিয়াউর রহমান

 ব্যাটালিয়ান বিজিবি ৪২, দিনাজপুর।


Magazine