উত্তর : হারামের সাথে জড়িত থাকলে কিংবা হারাম পন্থায় উপার্জিত অর্থ-সম্পদ ভক্ষণ করলে তার দু‘আ, ইবাদত কোনো কিছুই কবুল হবে না। তার স্থান হবে জাহান্নাম। আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র ছাড়া গ্রহণ করেন না। আল্লাহ তা‘আলা রাসূলগণকে যে আদেশ করছেন, মুমিনগণকেও সে আদেশই করেছেন। অতঃপর মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে রাসূলগণ! আপনারা পবিত্র খাদ্য খাবেন এবং সৎ আমল করতে থাকবেন’ (মুমিনূন, ৫২)। মুমিনগণকে লক্ষ্য করে অনুরূপই বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ! আমার দেওয়া পবিত্র রিযিক হতে খাও’ (বাক্বারাহ, ১৭২)। অতঃপর রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উল্লেখ করলেন, এক ব্যক্তি দূর-দূরান্তের সফর করছে। তার মাথার চুল এলোমেলো, শরীরে ধুলা-বালি। এমতাবস্থায় ঐ ব্যক্তি উভয় হাত আসমানের দিকে উঠিয়ে কাতর স্বরে হে প্রভু! হে প্রভু! বলে ডাকছে। কিন্তু তার খাদ্য হারাম, তার পানীয় হারাম, তার পোশাক হারাম, তার জীবিকা নির্বাহ হারাম, কীভাবে তার দু‘আ কবুল হবে (ছহীহ মুসলিম, হা/১০১৫; মিশকাত, হা/২৭৬০)। জাবির রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে দেহের গোশত হারাম মালে গঠিত, তা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। হারাম মালে গঠিত দেহের জন্য জাহান্নামই উপযুক্ত’ (মুসনাদে আহমাদ, হা/১৪৪৮১; দারেমী, হা/২৭৭৬; বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/৫৫১৮; মিশকাত, হা/২৭৭২)।
-রুবাইয়া
সাতক্ষীরা সদর।
