উত্তর : মানুষের প্রয়োজন ও সুবিধার প্রতি লক্ষ্য রেখে, কোনো প্রকারের হিংসা-বিদ্বেষ ও দ্বন্দ্ব-ফ্যাসাদ সৃষ্টি এবং ইসলামবিরোধী কর্মকা- বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য ব্যতিরেকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ওয়াক্বফকৃত যে কোনো স্থানে পৃথকভাবে মসজিদ নির্মাণ করা যেতে পারে এবং সে মসজিদে ছালাত আদায় করা যেতে পারে। এটা ব্যতীত মুসলিমদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, মুসলিম সমাজের ঐক্য নষ্ট করা এবং যাবতীয় ভ্রান্ত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে মসজিদ নির্মাণ করা হয়, সে মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে না। এমন মসজিদকে ‘মসজিদে যেরার’ বলা হয়। এমন মসজিদ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, (হে নবী!) আপনি কখনো সেখানে গিয়ে ছালাত আদায় করবেন না (আত-তওবা, ৯/১০৮)। মসজিদে যেরারের পরিচয় উল্লেখ্য করে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর কেউ কেউ এমন আছে, যারা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে, কুফরী করার উদ্দেশ্যে, বিশ্বাসীদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে এবং যে ব্যক্তি ইতোপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, তার ঘাঁটিস্বরূপ (নতুন) মসজিদ নির্মাণ করেছে। তারা অবশ্যই শপথ করে বলবে, আমরা কেবল কল্যাণ চেয়েছি। পক্ষান্তরে আল্লাহ সাক্ষ্য যে, তারা সবাই মিথ্যুক’ (আত-তওবা, ৯/১০৭)।
-শাকিল হোসাইন
চরগগণপুর, জামালপুর সদর।
