নাম তার রাফসান। মাত্র ৪৯ দিনে কুরআনের হাফেয হয়েছে ৯ বছরের এই শিশুটি। কুমিল্লা শহরের ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের হিফয বিভাগ থেকে সে এ কীর্তি গড়েছে। কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের বিপুলাসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের প্রবাসী বাহার উদ্দিনের ছেলে রাফসান। রাফসান দেশের বিস্ময় বালক। তার মেধা সাধারণের চাইতে অনেক বেশি। রাফসান ৪৯ দিনে কুরআনের ৩০ পারাই মুখস্থ করেছে। রাফসান আর সব শিশু থেকে আলাদা। তার হিফয ক্ষমতা প্রখর। প্রতিদিনই সে এক পারা করে হিফয করে যেতে থাকে ও পেছনের আয়াতগুলো ঝালিয়ে নিতে থাকে। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাফসানের মা শাহিনা আক্তার ২০১৭ সালে ছেলেকে নূরানী দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি করেন। এক বছর রাফসান প্রথম শ্রেণির বই পড়ার সঙ্গে দেখে দেখে কুরআন পড়া শেষ করে। এর পরই ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে তাকে একই বিদ্যালয়ের হিফয বিভাগে ভর্তি করা হয়। প্রসঙ্গত, এর আগে ২৯ দিনে কুরআন মুখস্থ করে বিস্ময় সৃষ্টি করেছিলেন জুয়াইরিয়া নামের এক পাকিস্তানী তরুণী। লাহোরের গাজিয়াবাদ কলেজের ছাত্রী জুয়াইরিয়া কলেজ ছুটির ফাঁকে কুরআন মুখস্থ করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন।
আর একজন হল দ্বীন ইসলাম (৯), নোয়াখালী জেলার চাটখিল পৌর শহরের আল ফারূক ইসলামী একাডেমির হিফয বিভাগের শিক্ষার্থী। মাত্র ৩ মাস ১৭ দিনে পবিত্র কুরআন হিফয সম্পন্ন করেছে। মাদরাসার পরিচালক আবদুল্লাহ-আল-নোমান জানান, অসাধারণ মেধাবী দ্বীন ইসলাম। সে মাত্র ৩ মাস ১৭ দিনে পবিত্র কুরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে কুরআনের হাফেয হয়েছে। দ্বীন ইসলাম দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় তাকে বিনা খরচে মাদরাসায় পড়ালেখা ও খাওয়া-দাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। হাফেয দ্বীন ইসলামকে দেখতে প্রতিদিন আল ফারূক ইসলামী একাডেমিতে অনেক মানুষ ভিড় জমান। দ্বীন ইসলাম সকলের কাছে দু‘আ চেয়েছেন।
