উত্তর : যাদের নিকট ফিতরা জমা করা হয় তারা যদি সমাজ বা গ্রামের দায়িত্বশীল হন তাহলে দায়িত্বের ভিত্তিতে ফিতরা বিক্রয় করে মূল্য বিতরণ করতে পারে। এছাড়া যারা ফিতরার হক্বদার তারাও ফিতরা নেওয়ার পরে বিক্রয় করতে পারে। কিন্তু আদায়কারী কোন অবস্থাতেই ফিতরার মূল্য আদায় করতে পারেন না। তাকে খাদ্যদ্রব্যই আদায় করতে হবে। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে মুদ্রার প্রচলন ছিল। তবুও তিনি ফিতরা হিসাবে মুদ্রা প্রদানের কথা বলেননি বরং খাদ্যশস্যের কথা বলেছেন। আবু সাঈদ খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে ঈদুল ফিতরের পূর্বে এক সা‘ খাদ্য ফিতরা দিতাম। তখন আমাদের খাদ্য ছিল ঘি, কিশমিশ, পনীর ও খেজুর (ছহীহ বুখারী, হা/২০৪ পৃঃ)। সুতরাং খাদ্যশস্য দ্বারাই ফিতরা আদায় করতে হবে।
-আহমাদ যুবাইর বিন ইজাবুল হক্ব
নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
