কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (২) : সূরা তাকভীরের ৮ এবং ৯ নং আয়াতে বলা হয়েছে যে, ‘যখন জীবন্ত-প্রোথিত কন্যাকে জিজ্ঞাসা করা হবে, কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল? প্রশ্ন হল, এমন কন্যাকে জাহান্নামে দেওয়া হবে কি?

উত্তর : জীবন্ত-প্রোথিত কন্যা সন্তানকে জাহান্নামে নয় বরং তাকে জান্নাতে দেওয়া হবে। কেননা তার কোন দোষ নেই। হাসনা বিনতু মু‘আবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার চাচা আমার নিকট হাদীছ বর্ণনা করে বলেছেন যে, আমি নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলাম, জান্নাতের অধিকারী কে? নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘নবীগণ জান্নাতের অধিকারী, শহীদ জান্নাতের অধিকারী, নাবালেগ শিশু জান্নাতের অধিকারী এবং জীবন্ত-প্রোথিত শিশু জান্নাতের অধিকারী’ (আবূদাঊদ, হা/২৫২১; মিশকাত, হা/৩৮৫৬; মুসনাদে বাযযার, ২/৩৬৯ পৃঃ; ইবনু কাছীর, ৮/৬১৮ পৃঃ; আল-জামি‘ আছ-ছগীর, হা/৭৫৯৫, ২/৩৬৯ পৃঃ)। আবুদাঊদের যে হাদীছে الْوَائِدَةُ وَالْمَوْءُودَةُ فِى النَّارِ অর্থাৎ ‘জীবন্ত দাফনকৃত (কন্যা সন্তান) ও দাফনকারী উভয়েই জাহান্নামী’ বলা হয়েছে তাতে জাহেলিয়াতের যুগে মেয়েদেরকে মাটিতে পুতে দেওয়ার কারণে পিতাকে সতর্ক করা হয়েছে (আবুদাঊদ, হা/৪৭১৭)।

-মাজহারুল ইসলাম ও আবির

ফুলবাড়িয়া, দিনাজপুর।


Magazine