আল-ফালাহতে গিয়েছিলাম, বন্ধু মঞ্জুর আহবানে
কে শুনাল দারসুল কুরআন, মানুষ কী ফেরেশতারে।
মুদ্দাছছিরের ১ম সাত আয়াত, তরজমা তিলাওয়াত
শানে নুযূল শুনে মনে, আচমকা বাজিমাত রে।
অহির বিরতিতে নবীর, মন যে ছটফট করত
নবীর সুসংবাদে জিরবীল, পেরেশানি দূর করত রে।
পথে বিকট শব্দে নবী, আসমানে তাকালেন
শূন্যে বসা জিবরীলকে দেখে, ভীষণ ভীত হলেন রে।
ভীত আর শীতার্ত নবীর, ঝড়ো কম্পন আসে
কম্বলে ঢেকে দাও আমায়, বলেন বাড়ী এসেরে।
কম্বল আরাম প্রশান্তির প্রতীক, রবের এক নিদর্শন
আল-কুরআন শ্রেষ্ঠ মু‘জেযা, নিয়ে জিবরীলের আগমনরে।
‘বস্ত্রাবৃত ওহে’ আল্লাহ্র, সেণহের সম্বোধন,
আরাম ছেড়ে গা ঝেড়ে, উঠুন প্রস্ত্তত হোনরে।
অচেতন গাফেল জাতিকে, শুদ্ধ করিতে
নবুঅতের কঠিন দায়িত্ব, তোমারই ওপরে রে।
রবের শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দাও, বাতিলকে অস্বীকার
তাগূত ছেড়ে তাওহীদ ধর, বল আল্লাহু আকবর রে।
দাঈ ইলাল্লাহর রুচি ও পোশাক, মর্যাদার প্রতীক
লিবাসুত তাক্বওয়া উত্তম, মন মেযাজের সংকেতরে।
নির্দোষ ও পবিত্র রাখ, চরিত্র মোবারক
জাহিলিয়াত ও গোনাহ থেকে, সদা দূরে থাকোরে।
প্রভুর তরে ইহসান কর, অনুগ্রহ নয়
নির্যাতন কষ্ট মুছীবতে, নতি স্বীকার নয়রে।
দুশমনের জোট কোমর বেঁধে, শেষ করিবার চায়
রবের তরে ছবর কর, তাঁর দিকে রুজূ‘ হওরে।
মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক মাহমূদ
শিক্ষক (অবঃ), মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ, মিরপুর, ঢাকা।
