কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

ইউরোপার সমুদ্রজলে খাবার লবণ

পৃথিবীর মতোই লবণাক্ত তরল জলের বিশাল বিশাল সাগর, মহাসাগর রয়েছে বৃহস্পতির একটি চাঁদ ইউরোপায়। পস্নাবিত হচ্ছে চাঁদটি আমাদের মতো সমুদ্রের জলে। তার ভিতরে রয়েছে বিশাল বিশাল সাগর, মহাসাগর। কিন্তু সেগুলো কিসে ভরা, তা নিয়ে সংশয় ছিল বিজ্ঞানীদের। কারও ধারণা, সেই সাগর, মহাসাগরগুলো ভরা তরল জলে। কারও-বা ধারণা, সেগুলো ভরা মিথেন বা ইথেনের মতো তরল হাইড্রোকার্বনে। কিন্তু খাবার নুন বা সোডিয়াম ক্লোরাইডের হদিস মেলায় এবার অনেক বেশি নিশ্চিত হওয়া গেল, বৃহস্পতির একটি চাঁদ ইউরোপার পৃষ্ঠের কেবলই নিচে যে বিশাল বিশাল সাগর ও মহাসাগর রয়েছে, তাতে পৃথিবীর মতোই যথেষ্ট পরিমাণে সামুদ্রিক লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড আছে।

বেশ কয়েক বছর আগে ইউরোপার পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় নাসার দু’টি মহাকাশযান ‘ভয়েজার’ ও ‘গ্যালিলিও’ প্রচুর ছবি তুলেছিল ইউরোপার। সেই সব ছবি খতিয়ে দেখে বিজ্ঞানীরা কিছুটা আঁচ করতে পেরেছিলেন, বৃহস্পতির ঐ চাঁদের অন্দরে রয়েছে বিশাল বিশাল সাগর ও মহাসাগর। তাঁদের মনে হয়েছিল সেগুলো ভরা রয়েছে লবণাক্ত তরল জলে। সেই সব সাগর আর মহাসাগরের গাত্রটা পুরু বরফে মোড়া। তবে লবণটা কী, তার গঠন কী ধরনের, তা সেই সময় বুঝতে পারেননি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। গ্যালিলিও মহাকাশযানের পাঠানো ছবি ও তথ্য থেকে বিজ্ঞানীদের ধারণা হয়েছিল, সেই নুন হতেও পারে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট লবণ। যা আদতে আমাদের এপসম লবণ।


Magazine