উত্তর : গীবত হল, কোন মুসলিম ভাইয়ের পশ্চাতে তার এমন দোষ-ত্রুটির কথা আলোচনা করা যা শুনলে সে কষ্ট পায়। এটি অত্যন্ত জঘণ্যতম পাপের কাজ। ইসলামী শরী‘আতে এটাকে হারাম করা হয়েছে এবং মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করা হয়েছে। অর্থাৎ মরা ভাইয়ের গোশত খাওয়া যেমন হারাম; অনুরূপভাবে গীবত করাও হারাম। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা বহুবিধ অনুমান হতে দূরে থাকো; কেননা অনুমান কোন কোন ক্ষেত্রে পাপ এবং তোমরা একে অপরের গোপন বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং অপরের পশ্চাতে নিন্দা করো না। তোমাদের কেউ কি মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পসন্দ করবে? বস্ত্ততঃ তোমরা তো তাকে ঘৃণা করো। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু (হুজুরাত, ১২)। যদি কেউ শয়তানের প্রবঞ্চণায় পড়ে গীবত করে ফেলে এবং সে এই পাপ থেকে ফিরে আসতে চায় তাহলে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাদের গীবত করেছে তাদের কাছ থেকে ক্ষমা চাইবে এবং সর্বত্র তাদের প্রশংসা করবে। আর যদি তা সম্ভব না হয়, হোক সেই ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করার কারণে বা কার গীবত করেছে তা স্মরণ না থাকার কারণে তাহলে একনিষ্ঠভাবে, অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে এবং যাদের গীবত করেছে আল্লাহর দরবারে তাদের জন্য কল্যাণ চাইবে। আল্লাহ চাইলে ক্ষমা করে দেবেন।
-মনিরুল ইসলাম
দূর্গাপুর, রাজশাহী।
