কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (২৬) : রুকূর পূর্বে দু‘আ কুনূত পড়া যাবে কি?

উত্তর : কুনূতে রাতেবা বা বিতরের কুনূত রুকূর পূর্বে পড়াই উত্তম। উবাই ইবনে কা‘ব রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর ছালাতে রুকূর পূর্বে কুনূত পাঠ করতেন (আবুদাঊদ, হা/১৪১৪; আলবানী সহীহ বলেছেন, নাসাঈ ১/২৪৮; ইবনু মাজাহ, হা/১১৮২; ইরওয়াউল গালীল, হা/৪২৬)। তবে তা রুকূর পরেও পড়া যায়। একদা আনাস ইবনু মালেক রাযিয়াল্লাহু আনহু-কে কুনূত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল, তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকূর পরে কুনূত পড়েছেন। অপর বর্ণনায় আছে, রুকূর পূর্বে ও তার পরে (উভয় রকমে পড়েছেন) (ইবনু মাজাহ, হা/১১৮৪; মিশকাত, হা/১২৯৪)। আর কুনূতে নাযেলা রুকূর পরেই পড়তে হবে। আসেম আহওয়াল রাহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি আনাস ইবনু মালেক রাযিয়াল্লাহু আনহু-কে ছালাতের দু‘আ কুনূত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, এটা রুকূর পূর্বে না পরে? তিনি বললেন, রুকূর পূর্বে। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল এক মাসই রুকূর পরে কুনূত পড়েছিলেন। ব্যাপার এই ছিল যে, একবার তিনি (বীরে মাঊনার দিকে) ৭০ জন লোককে প্রেরণ করেছিলেন, যাঁদেরকে ক্বারী বলা হত, তাঁরা সেখানে নিহত হন। সেজন্য রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাস পর্যন্ত রুকূর পরে কুনূত পড়ে তাদের (হত্যাকারীদের) জন্য বদ দু‘আ করতে থাকেন (ছহীহ বুখারী, হা/৪০৯৬; মিশকাত, হা/১২৮৯)।

আতাউর রহমান

কালীগঞ্জ, সাতক্ষীরা।


Magazine