কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রসঙ্গ: দণ্ডবিধি*

post title will place here

দণ্ডবিধির পরিচয়:

(الْحُدُوْدُ): হুদূদ (حُدُوْدُ) শব্দটি আরবী ‘হদ্দ’ (حَدُّ)-এর বহুবচন। আভিধানিক অর্থে ‘হদ্দ’ বলতে বোঝায়— দু’টি জিনিসের মাঝে প্রতিবন্ধক বা সীমারেখা হিসেবে থাকা কোনো বস্তু। ‘হদ্দ’ শব্দের অর্থ বাধা দেওয়া বা নিষেধ করা’।[1]

পারিভাষিক অর্থ: ‘হুদূদ’ বলতে বোঝায়— শরীআত কতৃর্ক নির্ধারিত নির্দিষ্ট শাস্তিসমূহ, যা বিভিন্ন গোনাহ বা অপরাধের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যেন মানুষ পুনরায় অনুরূপ অপরাধে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত থাকে’।[2]

দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ:

কুরআন ও সুন্নাহ কিছু নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি নিরূপণ করেছেন, এসব অপরাধকে বলা হয়, ‘দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ’। এই অপরাধগুলো হলো, যেনা (ব্যভিচার), কাযফ (পবিত্র নারীর প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়া), চুরি, মদ্যপান (নেশাগ্রস্ততা), হারাবা/ডাকাতি বা সশস্ত্র সন্ত্রাস, রিদ্দা (ইসলাম ত্যাগ) এবং বাগী (বিদ্রোহ বা রাষ্ট্রবিরোধী সশস্ত্র বিদ্রোহ)’।[3]

দণ্ডবিধি ক্বায়েম করার ফযীলত:

আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,حَدٌّ يُعْمَلُ بِهِ فِي الْأَرْضِ خَيْرٌ لِأَهْلِ الْأَرْضِ مِنْ أَنْ يُمْطَرُوا أَرْبَعِينَ صَبَاحًا ‘কোনো জনপদে একটি হদ্দ কার্যকর করা সেই জনপদে ৪০ দিন বৃষ্টিপাত হওয়ার তুলনায় উত্তম’।[4]

আত্মীয়-অনাত্মীয় এবংসম্মানিত ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ সকলের ক্ষেত্রেই দণ্ডবিধি বাস্তবায়ন করা বাধ্যতামূলক:

উবাদা ইবনুছ ছামেত রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, أَقِيمُوا حُدُودَ اللهِ فِي الْقَرِيبِ وَالْبَعِيدِ وَلَا تَأْخُذْكُمْ فِي اللهِ لَوْمَةُ لَائِمٍ ‘তোমরা কাছের ও দূরের সকলের উপর আল্লাহ নির্ধারিত দণ্ডবিধি (হদ্দ) কার্যকর করো। আল্লাহর কাজে কোন সমালোচকের সমালোচনা যেন তোমাদেরকে বিব্রত না করে’।[5] আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,أَنَّ أُسَامَةَ كَلَّمَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي امْرَأَةٍ فَقَالَ إِنَّمَا هَلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا يُقِيمُونَ الحَدَّ عَلَى الوَضِيعِ وَيَتْرُكُونَ الشَّرِيفَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ فَعَلَتْ ذَلِكَ لَقَطَعْتُ يَدَهَا ‘উসামা রাযিয়াল্লাহু আনহু এক মহিলার ব্যাপারে নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট সুপারিশ করলেন। তখন তিনি বললেন, তোমাদের পূর্বেকার বিভিন্ন সম্প্রদায় ধ্বংস হয়ে গেছে। কারণ তারা নিম্নশ্রেণির লোকদের উপর শরীআতের শাস্তি ক্বায়েম করত। আর সম্মানিত লোকদের অব্যাহতি দিত। ঐ সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! ফাতেমাও যদি এমন কাজ করত, তাহলে অবশ্যই আমি তার হাত কেটে দিতাম’।[6]

দণ্ডবিধি (শরীআত নির্ধারিত শাস্তি) যদি শাসকের নিকট উপস্থাপিত হয়ে যায়, তবে তাতে সুপারিশ করা যাবে না:

আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, أَنَّ قُرَيْشًا أَهَمَّتْهُمُ المَرْأَةُ المَخْزُومِيَّةُ الَّتِي سَرَقَتْ فَقَالُوا مَنْ يُكَلِّمُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ يَجْتَرِئُ عَلَيْهِ إِلَّا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ حِبُّ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَكَلَّمَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَتَشْفَعُ فِي حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللهِ ثُمَّ قَامَ فَخَطَبَ قَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا ضَلَّ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ الشَّرِيفُ تَرَكُوهُ وَإِذَا سَرَقَ الضَّعِيفُ فِيهِمْ أَقَامُوا عَلَيْهِ الحَدَّ، وَايْمُ اللهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم سَرَقَتْ لَقَطَعَ مُحَمَّدٌ يَدَهَا ‘মাখযূম গোত্রের এক মহিলার ব্যাপারে কুরাইশ বংশের লোকদের খুব দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল, যে চুরি করেছিল। ছাহাবীগণ বললেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কে কথা বলতে পারবে? আর রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রিয়জন উসামা ইবনু যায়েদ রাযিয়াল্লাহু আনহু ছাড়া এটা কেউ করতে পারবে না। তখন উসামা রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কথা বললেন, এতে তিনি বললেন, তুমি আল্লাহর শাস্তির বিধানের ব্যাপারে সুপারিশ করছ? এরপর তিনি দাঁড়িয়ে খুৎবা দিলেন এবং বললেন, হে মানবমণ্ডলী! নিশ্চয়ই তোমাদের পূর্বের লোকেরা গোমরাহ হয়ে গিয়েছে। কারণ, কোনো সম্মানী ব্যক্তি যখন চুরি করত, তখন তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর যখন কোনো দুর্বল লোক চুরি করত, তখন তার উপর শরীআতের শাস্তি ক্বায়েম করত। আল্লাহর কসম! মুহাম্মাদ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতেমাও যদি চুরি করে, তবে অবশ্যই মুহাম্মাদ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত কেটে দিবেন’।[7]

মুমিনের দোষত্রুটি গোপন রাখা মুস্তাহাব:

ছাফওয়ান ইবনু উমাইয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, كُنْتُ نَائِمًا فِي الْمَسْجِدِ عَلَيَّ خَمِيصَةٌ لِي ثَمَنُ ثَلَاثِينَ دِرْهَمًا فَجَاءَ رَجُلٌ فَاخْتَلَسَهَا مِنِّي فَأُخِذَ الرَّجُلُ فَأُتِيَ بِهِ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَ بِهِ لِيُقْطَعَ قَالَ فَأَتَيْتُهُ فَقُلْتُ أَتَقْطَعُهُ مِنْ أَجْلِ ثَلَاثِينَ دِرْهَمًا أَنَا أَبِيعُهُ وَأُنْسِئُهُ ثَمَنَهَا؟ قَالَ فَهَلَّا كَانَ هَذَا قَبْلَ أَنْ تَأْتِيَنِي بِهِ ‘একদা আমি ৩০ দিরহাম মূল্যের আমার একটি চাদরে মসজিদে ঘুমিয়ে ছিলাম। অতঃপর এক ব্যক্তি এসে আমার নিকট থেকে সেটা টেনে নিয়ে যায়। তাকে হাতেনাতে ধরে নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসা হলে তিনি তার হাত কাটার আদেশ দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, মাত্র ৩০টি দিরহামের কারণে আপনি তার হাত কাটবেন? আমি তার নিকট এটা বাকীতে বিক্রয় করছি। তিনি বললেন, তুমি তাকে আমার নিকট নিয়ে আসার পূর্বে তা করলে না কেন?’[8]

আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, مَنْ سَتَرَ مُسْلِمًا سَتَرَهُ اللهُ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ ‘যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ গোপন রাখবে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে তার দোষ গোপন রাখবে’।[9]

আর এটাও মুস্তাহাব যে, বান্দা নিজেই নিজের দোষত্রুটি গোপন রাখবে। নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী,كُلُّ أُمَّتِي مُعَافًى إِلَّا المُجَاهِرِينَ وَإِنَّ مِنَ المُجَاهَرَةِ أَنْ يَعْمَلَ الرَّجُلُ بِاللَّيْلِ عَمَلًا ثُمَّ يُصْبِحَ وَقَدْ سَتَرَهُ اللهُ عَلَيْهِ فَيَقُولَ يَا فُلاَنُ عَمِلْتُ البَارِحَةَ كَذَا وَكَذَا وَقَدْ بَاتَ يَسْتُرُهُ رَبُّهُ وَيُصْبِحُ يَكْشِفُ سِتْرَ اللهِ عَنْهُ ‘আমার সকল উম্মতকে মাফ করা হবে, তবে (দোষ) প্রকাশকারী ব্যতীত। আর নিশ্চয় এটা বড়ই অন্যায় যে, কোনো ব্যক্তি রাতের বেলা অপরাধ করল, যা আল্লাহ গোপন রাখলেন। কিন্তু সে সকাল হলে বলে বেড়াতে লাগল, হে অমুক! আমি আজ রাতে এই এই কাজ করেছি। অথচ সে এমন অবস্থায় রাত কাটাল যে, আল্লাহ তার কর্ম লুকিয়ে রেখেছিলেন, আর সে ভোরে উঠে তার উপর আল্লাহর দেওয়া আবরণ খুলে ফেলল’।[10]

হুদুদ (শরীআত নির্ধারিত দণ্ডসমূহ) ক্বায়েম করা হলে উক্ত পাপ কাজ মাফ হয়ে যায়:

উবাদা ইবনু ছামেত রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي مَجْلِسٍ فَقَالَ بَايِعُونِي عَلَى أَنْ لَا تُشْرِكُوا بِاللَّهِ شَيْئًا وَلَا تَسْرِقُوا وَلَا تَزْنُوا وَقَرَأَ عَلَيْهِمُ الْآيَةَ فَمَنْ وَفَّى مِنْكُمْ فَأَجْرُهُ عَلَى اللهِ وَمَنْ أَصَابَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا فَسَتَرَ اللهُ عَلَيْهِ فَهُوَ إِلَى اللهِ عَزَّ وَجَلَّ إِنْ شَاءَ عَذَّبَهُ وَإِنْ شَاءَ غَفَرَ لَهُ ‘আমরা এক মজলিসে নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন তিনি বলেন, তোমরা এই কথার উপর আমার নিকট বায়আত কর যে, তোমরা আল্লাহ তাআলার সাথে কাউকে শরীক করবে না, ব্যভিচার করবে না, চুরি করবে না, এরপর তিনি পূর্ণ আয়াত পড়ে শোনান। পরে তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তাঁর বায়আত পূর্ণ করবে, তার বিনিময় আল্লাহ তাআলার নিকট রয়েছে, আর যে ব্যক্তি ঐ সকলের মধ্যে কোনো একটা করবে, তারপর যদি আল্লাহ তার এই কাজকে গোপন রাখেন, তবে তা আল্লাহর উপর নির্ভর করে, তিনি ইচ্ছা করলে শাস্তি দিবেন, আর ইচ্ছা করলে ক্ষমা করবেন’।[11]

হদ্দ (দণ্ডবিধি) কে কার্যকর করবে?[12]

সরকার প্রধান অথবা তাঁর প্রতিনিধিই কেবল তা হদ্দ (দণ্ডবিধি) কার্যকর করবে। কারণ, তিনি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ জীবদ্দশায় হদ্দ (দণ্ডবিধি) কার্যকর করতেন এবং তাঁর পরে তাঁর খলীফাগণ তদ্রূপ হদ্দ (দণ্ডবিধি) কার্যকর করেছেন। আর তিনি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হদ্দ (দণ্ডবিধি) কার্যকর করার ক্ষেত্রে প্রতিনিধি নিযুক্ত করেছিলেন এবং বলেছিলেন,وَاغْدُ يَا أُنَيْسُ إِلَىٰ امْرَأَةِ هَذَا فَإِنِ اعْتَرَفَتْ فَارْجُمْهَا ‘হে উনাইস! তুমি সকালে এ লোকটির স্ত্রীর নিকট যাও; যদি সে স্বীকার করে, তবে তাকে রজম কর’।[13]

মূল: ড. আব্দুল আযীম আল-বাদাবী
* শায়খ আব্দুল আযীম বাদাবী প্রণীত ‘আল-ওয়াজীয ফী ফিক্বহিস সুন্নাতি ওয়াল কিতাবিল আযীয’ বই থেকে সংগৃহীত।

অনুবাদ: হাফীযুর রহমান বিন দিলজার হোসাইন
* প্রিন্সিপ্যাল, দারুস সালাম ইসলামী কমপ্লেক্স, পিরুজালী ময়তাপাড়া, গাজীপুর।


[1]. ফিক্বহুস সুন্নাহ, ২/৩০২।

[2]. মানারুস সাবীল, ২/৩৬০।

[3]. ফিক্বহুস সুন্নাহ, ২/৩০২।

[4]. ইবনু মাজাহ, হা/২৫৩৮, ‘শব্দ বিন্যাস তাঁরই’; নাসাঈ, হা/৪৯০৪, আলবানী রাহিমাহুল্লাহ হাদীছটিকে হাসান বলেছেন।

[5]. ইবনু মাজাহ, হা/২৫৪০; মিশকাত, হা/৩৫৮৭, আলবানী রাহিমাহুল্লাহ হাদীছটিকে হাসান বলেছেন।

[6]. ইরওয়াউল গালীল, হা/২৩১৯, আলবানী রাহিমাহুল্লাহ হাদীছটিকে ছহীহ বলেছেন; ছহীহ বুখারী, হা/৬৭৮৭।

সমাজের কাঠামোকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখার একটি অন্যতম বিষয় হচ্ছে ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা। বিচারের ক্ষেত্রে কোনো সমাজে বৈষম্য করা হলে সে সমাজের ধ্বংস অনিবার্য। -অনুবাদক

[7]. ছহীহ বুখারী, হা/৬৭৮৮; ছহীহ মুসলিম, হা/১৬৮৮; আবূ দাঊদ, হা/৪৩৭৩; নাসাঈ, হা/৪৮৯৯, ৪৯০২; তিরমিযী, হা/১৪৩০; ইবনু মাজাহ, হা/২৫৪৭।

[8]. আবূ দাঊদ, হা/৪৩৯৪; নাসাঈ, হা/৪৯০২; ইবনু মাজাহ, হা/২৫৯৫।

[9]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৯৯; তিরমিযী, হা/১৪২৫; ইবনু মাজাহ, হা/২৫৪৪; আবূ দাঊদ, হা/৪৯৪৬।

[10]. ছহীহ বুখারী, হা/৬০৬৯; ছহীহ মুসলিম, হা/২৯৯০; মিশকাত, হা/৪৮৩০।

[11]. ছহীহ বুখারী, হা/১৮; ছহীহ মুসলিম, হা/১৭০৯; নাসাঈ, হা/৪২১০, ‘শব্দ বিন্যাস তাঁরই’।

[12]. মানারুস সাবীল, ২/৩৬১।

[13]. মানারুস সাবীল, ২/৩৬১।

Magazine