উত্তর: ক. হিজড়া আল্লাহ তাআলার সৃষ্টি। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং যেমন ইচ্ছা তেমন সৃষ্টি করেন। হিজড়া সৃষ্টির আসল রহস্য একমাত্র তিনিই জানেন। তবে কোনো ত্রুটি বা অপূর্ণতাসহ যখন তিনি কাউকে সৃষ্টি করেন, তখন তাঁর উদ্দেশ্য হয় পরীক্ষা করা। এক্ষেত্রে বান্দার করণীয় হলো ছবর করা, আল্লাহর ফায়সালায় সন্তুষ্ট থাকা এবং যথাযথভাবে তাঁর নির্দেশ পালন করা (আল-বাকারা, ২/১৫৫)। খ. কুরআনুল কারীমে হিজড়াদের ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলা হয়নি। কারণ শারীরিক গঠন ভিন্ন হলেও বিধানগতভাবে তারা পুরুষ বা নারীদের আওতাভুক্ত। সুতরাং কুরআনুল কারীমে বর্ণিত নারী-পুরুষের বিধানসমূহ তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তবে আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে একটি হাদীছ বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, যদি সে (হিজড়া) পুরুষাঙ্গ দিয়ে প্রস্রাব করে, তাহলে তাকে পুরুষ বিবেচনা করা হবে; আর যদি স্ত্রীলিঙ্গের পথ দিয়ে প্রস্রাব করে, তাহলে তাকে নারী বিবেচনা করা হবে’ (বায়হাক্বী, সুনানুল কুবরা, হা/১২৫১৫)। অর্থাৎ বায়োলজিক্যালি যার মধ্যে পুরুষ হরমোন বেশি হবে সে পুরুষ আর যার মাঝে নারী হরমোন বেশি হবে সে নারী।
প্রশ্নকারী : খবিরুল ইসলাম
