জান্নাত ও জাহান্নামের অবস্থান :
জান্নাতের অবস্থান : আল্লাহ তা‘আলা বলেন,كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ-وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ ‘কখনো না, নিশ্চয় সৎলোকদের আমলনামা ‘ইল্লিইয়ীনে’ (সংরক্ষেত) আছে। তুমি কি জান, ‘ইল্লিইয়ূন’ কী?’ (মুতাফফিফীন, ৮৩/১৮-১৯)। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, ‘সেটি হচ্ছে, জানণাত। আর বলা হয়েছে যে, ‘ইল্লিইয়ূন’ সপ্তম আকাশে আরশের নীচে অবস্থিত’।[1]
ইমাম ইবনু কাছীর (রহঃ) বলেন,وَالظَّاهِر أَنَّ عِلِّيِّيْنَ مَأْخُوْذ مِنْ العُلُوّ، وَكُلَّمَا عَلا الشَّيْءٌ وَارْتَفَعَ عَظُمَ وَاتَّسَعَ، وَلهَذَا قَالَ تَعَالَى مُعَظَّماً أَمْره وَمُفَخَّماً شَأْنه {وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ} ‘ইল্লিইয়ূন’ শব্দটি ‘علو’ (সুউচ্চ) শব্দ থেকে গৃহীত। যখনই কোন জিনিস উঁচু হয়, তখনই সেটি মহান ও প্রশস্ত হয়। এ কারণে মহান আল্লাহ ‘ইল্লিইয়ূন’ বিষয়টিকে অত্যন্ত মহান আখ্যায়িত করে বলেন,وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّوْنَ ‘তুমি কি জান ইল্লিইয়ূন কী?’।[2]
মহান আল্লাহ বলেন, وَفِي السَّمَاءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوْعَدُوْنَ ‘আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযিক্ব ও প্রতিশ্রুত সব কিছু’ (যারিয়াত, ৫১/২২)। ইমাম ইবনু কাছীর (রহঃ) উক্ত আয়াতের তাফসীরে বলেন, এখানে রিযিক্ব অর্থ বৃষ্টি আর তোমাদের যা প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, তার অর্থ হলো, জান্নাত’।[3]+[4]
জাহান্নামের অবস্থান : আল্লাহ তা‘আলা বলেন, كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِيْ سِجِّينٍ - وَمَا أَدْرَاكَ مَا سِجِّيْنٌ - كِتَابٌ مَرْقُوْمٌ ‘কখনো না, নিশ্চয় পাপীদের আমলনামা সিজ্জীনে (সংরক্ষেত) আছে। তুমি কি জান সিজ্জীন কী?। সীলমোহরকৃত কিতাব’ (মুতাফফিফীন, ৮৩/৭-৯)। ইমাম ইবনু কাছীর, ইমাম বাগাবী ও ইমাম ইবনু রজব (রহ.) কতকগুলি আছার উল্লেখ করেছেন, যেগুলি স্পষ্ট বর্ণনা করে যে, সিজ্জীন সাত যমীনের নীচে। [যেমনিভাবে জান্নাত সাত আসমানের উপরে]।[5]
اَللّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَنَعُوْذُبِكَ مِنَ النَّارِ.
‘হে আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট জান্নাত চাই এবং জাহান্নামের আগুন হতে আশ্রয় চাই’।[6]
জান্নাতীদের সুখ-শান্তি ও জাহান্নামীদের শাস্তির বর্ণনা :
জান্নাতীদের সুখ-শান্তি :
জান্নাতীদের মানসিক শান্তি :
عَنْ أَبِيْ سَعِيْدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُوْلُ لِأَهْلِ الْجَنَّةِ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ فَيَقُوْلُوْنَ لَبَّيْكَ رَبَّنَا وَسَعْدَيْكَ فَيَقُوْلُ هَلْ رَضِيْتُمْ فَيَقُوْلُوْنَ وَمَا لَنَا لَا نَرْضَى وَقَدْ أَعْطَيْتَنَا مَا لَمْ تُعْطِ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ فَيَقُولُ أَنَا أُعْطِيْكُمْ أَفْضَلَ مِنْ ذَلِكَ قَالُوْا يَا رَبِّ وَأَيُّ شَيْءٍ أَفْضَلُ مِنْ ذَلِكَ فَيَقُوْلُ أُحِلُّ عَلَيْكُمْ رِضْوَانِيْ فَلَا أَسْخَطُ عَلَيْكُمْ بَعْدَهُ أَبَدًا.
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতীদেরকে লক্ষ্য করে বলবেন, হে জান্নাতীগণ! তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! হাযির, আমরা আপনার সান্নিধ্যে হাযির, এরপর আল্লাহ বলবেন, তোমরা কি খুশী হয়েছ? তারা বলবে, কেন খুশী হব না! আপনি আমাদেরকে এমন বস্ত্ত দান করেছেন, যা আপনার সৃষ্টি জগতের আর কাউকেই দান করেননি। তখন তিনি বলবেন, আমি এর চেয়েও উত্তম বস্ত্ত তোমাদেরকে দান করব। তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! এর চেয়েও উত্তম সে কোন্ বস্ত্ত? আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, তোমাদের উপর আমি আমার সন্তুষ্টি অবধারিত করব। অতঃপর আমি আর কখনো তোমাদের উপর নাখোশ হব না’।[7]+[8]
জান্নাতীদের দৈহিক শান্তি :
(১) জান্নাতের নহরসমূহ :
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
مَثَلُ الْجَنَّةِ الَّتِيْ وُعِدَ الْمُتَّقُوْنَ فِيْهَا أَنْهَارٌ مِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ وَأَنْهَارٌ مِنْ لَبَنٍ لَمْ يَتَغَيَّرْ طَعْمُهُ وَأَنْهَارٌ مِنْ خَمْرٍ لَذَّةٍ لِلشَّارِبِيْنَ وَأَنْهَارٌ مِنْ عَسَلٍ مُصَفًّى وَلَهُمْ فِيْهَا مِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ وَمَغْفِرَةٌ مِنْ رَبِّهِمْ كَمَنْ هُوَ خَالِدٌ فِي النَّارِ وَسُقُوْا مَاءً حَمِيْمًا فَقَطَّعَ أَمْعَاءَهُمْ.
‘মুত্তাক্বীদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার উপমা হলো- তাতে রয়েছে নির্মল পানির ঝর্ণা, আর আছে দুধের নদী, যার স্বাদ অপরিবর্তনীয়, আছে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু মদের নদী আর পরিশোধিত মধুর নদী। তাদের জন্য সেখানে আছে সব রকম ফলমূল আর তাদের প্রতিপালকের নিকট হতে ক্ষমা। (এরা কি) তাদের মত যারা চিরকাল থাকবে জাহান্নামে, যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে গরম পানীয়, যা তাদের নাড়িভুঁড়ি ছিন্নভিন্ন করে ফেলবে?’ (মুহাম্মাদ ৪৭/১৫)।
আয়াতটির তাফসীর :
‘مَثَلُ الْجَنَّةِ الَّتِيْ وُعِدَ الْمُتَّقُوْنَ’ ‘মুত্তাক্বীদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার উপমা হলো- অর্থাৎ জান্নাতের বৈশিষ্ট্য। ‘فِيْهَا أَنْهَارٌ مِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ’ ‘তাতে আছে নির্মল পানির ঝর্ণা। অর্থাৎ যার স্বাদ পরিবর্তন হয়নি। ‘وَأَنْهَارٌ مِنْ خَمْرٍ لَذَّةٍ لِلشَّارِبِيْنَ’ ‘আছে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু মদের নদী। অর্থাৎ পঁচে গলে যার স্বাদ পরিবর্তন হয়নি এবং দুর্গন্ধ ছড়ায়নি।وَأَنْهَارٌ مِنْ عَسَلٍ مُصَفًّى وَلَهُمْ فِيْهَا مِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ وَمَغْفِرَةٌ مِنْ رَبِّهِمْ كَمَنْ هُوَ خَالِدٌ فِي النَّارِ আর পরিশোধিত মধুর নদী। তাদের জন্য সেখানে আছে সব রকম ফলমূল আর তাদের প্রতিপালকের নিকট হতে ক্ষমা। (এরা কি) তাদের মত যারা চিরকাল থাকবে জাহান্নামে। অর্থাৎ যারা এ ধরনের শান্তির মধ্যে থাকবে, তারা কি ওদের মত হবে, যারা চিরদিন জাহান্নামে থাকবে’।[9]+[10]
(চলবে)
[1]. তাফসীরে বাগাবী, ৪/৪৬০; তাফসীর ইবনে কাছীর, ৪/৪৮৭।
[2]. তাফসীর ইবনে কাছীর, ৪/৪৮৭।
[3]. প্রাগুক্ত, ৪/২৩৬।
[4]. ইমাম বুখারীর একটি হাদীছ অতিবাহিত হয়েছে (হা/২৭৯০ ও ৭৪২৩), যেখানে রাসূল (ছাঃ) বলেন,إِذَاسَأَلْتُمُاللهَفَاسْأَلُوهُالْفِرْدَوْسَفَإِنَّهُأَوْسَطُالْجَنَّةِوَأَعْلَىالْجَنَّةِوَفَوْقَهُعَرْشُالرَّحْمَنِ ‘তোমরা আল্লাহর নিকট চাইলে ফেরদাউস চাইবে। কেননা এটাই হলো সর্বোত্তম ও সর্বোচ্চ জান্নাত। এ জান্নাতের উপরে রয়েছে পরম করুণাময় আল্লাহর আরশ’।
[5]. দেখুন: তাফসীরে বাগাবী, ৪/৪৫৮-৪৫৯; তাফসীর ইবনে কাছীর, ৪/৪৮৫-৪৮৬; ইবনু রজব, জাহান্নাম থেকে ভয় প্রদর্শন, পৃ: ৬২-৬৩; হাদিয়ুল আরওয়াহ ইলা বিলাদিল আফরাহ, পৃ: ৮২-৮৪।
[6]. আল্লাহর নিকট আমরা প্রার্থনা করছি, আল্লাহ যেন লেখকের দু‘আ কবুল করেন। তাকে এবং তার সহোদর, যে তার সাথে মারা গেছে, উভয়কে শহীদদের উচ্চতর স্তরে পৌঁছে দেন। কারণ তিনি পরম দাতা, অতিশয় দয়ালু। আর তিনি যেন সেই মহান স্থানে তাদের উভয়কে তাদের মাতা-পিতার সাথে একত্রিত করেন।
[7]. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, বুখারী হা/৬৫৪৯; মুসলিম হা/২৮২৯।
[8]. মানসিক শান্তি বিষয়ে আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,
يُجَاءُبِالْمَوْتِيَوْمَالْقِيَامَةِكَأَنَّهُكَبْشٌأَمْلَحُ،فَيُوقَفُبَيْنَالْجَنَّةِوَالنَّارِ،فَيُقَالُيَاأَهْلَالْجَنَّةِهَلْتَعْرِفُونَهَذَافَيَشْرَئِبُّونَوَيَنْظُرُونَوَيَقُولُونَنَعَمْهَذَاالْمَوْتُ،وَيُقَالُيَاأَهْلَالنَّارِهَلْتَعْرِفُونَهَذَاقَالَفَيَشْرَئِبُّونَوَيَنْظُرُونَوَيَقُولُونَنَعَمْهَذَاالْمَوْتُ،فَيُؤْمَرُبِهِفَيُذْبَحُ،ثُمَّيُقَالُيَاأَهْلَالْجَنَّةِخُلُودٌفَلاَمَوْتَوَيَاأَهْلَالنَّارِخُلُودٌفَلاَمَوْتَ.
‘ক্বিয়ামতের দিন মৃত্যুকে একটি সাদা মেঘের আকৃতিতে উপস্থিত করা হবে। তখন বলা হবে, হে জান্নাতীগণ! তোমরা কি একে চিন? একথা শুনে তারা মাথা উঠিয়ে দেখবে এবং বলবে, হ্যাঁ, এতো মৃত্যু। এরপর বলা হবে, হে জাহান্নামীরা! তোমরা কি একে চিন? তখন তারা মাথা তুলে দেখবে এবং বলবে হ্যাঁ, এতো মৃত্যু। তারপর নির্দেশ দেয়া হবে এবং সেটাকে যবেহ করা হবে। অতঃপর বলা হবে, হে জান্নাতীগণ! মৃত্যু নেই, তোমরা অনন্তকাল এখানে থাকবে। হে জাহান্নামীরা! মৃত্যু নেই, তোমরা অনন্তকাল এখানে থাকবে’ (ছহীহ মুসলিম হা/২৮৪৯)। আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাঃ) হতেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,
فَيَزْدَادُأَهْلُالْجَنَّةِفَرَحًاإِلَىفَرَحِهِمْوَيَزْدَادُأَهْلُالنَّارِحُزْنًاإِلَىحُزْنِهِمْ
‘তখন জান্নাতীদের আনন্দ আরো বৃদ্ধি পাবে। আর জাহান্নামীদের অশান্তি আরো বৃদ্ধি পাবে’ (ছহীহ মুসলিম হা/১৮৫০)। আর মানসিক শান্তির মধ্যে সবচেয়ে বড় শান্তি হলো, আল্লাহর দর্শন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘لِلَّذِينَأَحْسَنُواالْحُسْنَىوَزِيَادَةٌ’ ‘যারা ভালো কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে শুভ পরিণাম (জান্নাত) এবং আরো বেশী’ (ইউনুস ১০/২৬)। এ আয়াতে ‘الحسنى’ ‘আল-হুসনা’ অর্থ জান্নাত আর ‘زيادة’ ‘যিয়াদাহ’ বা আরো বেশী কিছু অর্থ আল্লাহর দর্শন। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, ‘لَهُمْمَايَشَاءُونَفِيهَاوَلَدَيْنَامَزِيدٌ’ ‘তারা যা চাইবে, সেখানে তাদের জন্য তাই থাকবে এবং আমার কাছে রয়েছে আরো অধিক’ (ক্বাফ ৫০/৩৫)। এখানে ‘مزيد’ ‘মাযীদ’ বা অধিক দ্বারা উদ্দেশ্য আল্লাহর দর্শন। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, وُجُوهٌيَوْمَئِذٍنَاضِرَةٌإِلَىرَبِّهَانَاظِرَةٌ’ ‘সেদিন কতক মুখম-ল হবে হাস্যোজ্জ্বল। তাদের রবের প্রতি দৃষ্টি নিরপেক্ষকারী’ (ক্বিয়ামাহ ৭৫/২২-২৩)। হাদীছে বর্ণিত আছে, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন,
فَيَكْشِفُالْحِجَابَفَمَاأُعْطُواشَيْئًاأَحَبَّإِلَيْهِمْمِنَالنَّظَرِإِلَىرَبِّهِمْ
‘তারপর পর্দা খোলা হবে (তখন তারা আল্লাহর দিকে তাকাবে), জান্নাতীদেরকে তাদের প্রভুর দর্শনের চেয়ে বেশী প্রিয় আর কোন কিছু দেয়া হয়নি’ (ছহীহ মুসলিম হা/১৮১)।
[9]. তাফসীরে বাগাবী ৪/১৮১; তাফসীর ইবনে কাছীর ৪/১৭৭।
[10]. জান্নাতের নহর সমূহের মধ্যে রয়েছে, হাউজে কাওছার যা একমাত্র রাসূল (ছাঃ)-কে দেয়া হয়েছে। এর দু’প্রান্ত মর্মর পাথরে সুশোভিত। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘এর দু’প্রান্ত কারুকার্যপূর্ণ মর্মর পাথরে সুশোভিত’ (বুখারী হা/৪৯৬৪, ৬৫৮১)। আর রাসূল (ছাঃ)-এর হাউজ ক্বিয়ামতের মুহূর্তে তার প্রস্থ এক মাসের রাস্তা, আর দৈর্ঘ হবে এক মাসের পথের সমান। তার পানি দুধের চেয়ে সাদা। তার ঘ্রাণ মিশক-এর চেয়ে বেশি সুগন্ধযুক্ত। (তার খাদ্য হবে মধুর চেয়ে মিষ্টি) এবং তার পাত্রের পরিমাণ হবে আকাশের তারকার মত অধিক। তা থেকে যে পান করবে সে আর কখনো পিপাসার্ত হবে না’ (বুখারী হা/৬৫৭৯; মুসলিম হা/২২৯২)। বন্ধনির অংশটুকু বুখারী ও মুসলিমে আমি পাইনি ‘অনুবাদক’।
মূল: আব্দুর রহমান ইবনু সাঈদ ইবনে আলী ইবনে ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
তাহক্বীক্ব: ড. সাঈদ ইবনু আলী ইবনে ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
অনুবাদ: হাফীযুর রহমান বিন দিলজার হুসাইন
