পুলিশের একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকার ৪৫টি থানা এলাকায় প্রায় ১,২০০ চাঁদাবাজ সক্রিয় রয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও রাজনৈতিক আশ্রয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাংশের পরোক্ষ সহযোগিতায় এসব চক্র তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, খিলক্ষেত, মোহাম্মদপুর, হাতিরঝিল, বাড্ডা, উত্তরা, ভাটারা, খিলগাঁও, পল্লবী ও আদাবরসহ কয়েকটি এলাকায় তাদের তৎপরতা বেশি।
ফুটপাতের দোকানদার, কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী, ভাঙারির দোকান, বাস-ট্রেন স্টেশন এবং গণপরিবহন খাত চাঁদাবাজির প্রধান শিকার। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে ব্যবসা চালিয়ে রাখতে নিয়মিত চাঁদা দিতে হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকদের মতে, মাঠপর্যায়ের সদস্যদের পাশাপাশি এই চক্রের মূল হোতা ও আশ্রয়দাতাদের আইনের আওতায় আনলেই কেবল সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
