কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (৫০): ২০২৬ বিশ্বকাপে কোনো কোনো খেলোয়াড় গোল করার পর অথবা বিজয়ী হওয়ার পর মাঠে সিজদা দিয়েছেন। এভাবে সিজদা দেওয়া সঠিক হয়েছে কি? নাকি এটি ইসলামকে অবমাননা করার শামিল?

উত্তর: বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজন শয়তানের পরিকল্পিত চক্রান্তের অন্যতম অংশ। গোপনে পাপ করিয়ে অভ্যস্ত করার পর শয়তান চক্রান্ত করে কীভাবে বিশ্বপরিসরে পৃথিবীর প্রায় সকল মানুষকে একসঙ্গে পাপ করানো যায়। তখন সে তারই অনুসারী পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার মোড়লদের মস্তিষ্কে বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনের পরিকল্পনা ঢুকিয়ে দেয়। এই মোড়লরা নৈতিকতা, ধর্মীয় অনুশাসন, সামাজিক রক্ষণশীলতা ইত্যাদির তোয়াক্কা না করে গরীবদের পকেট থেকে তাদের কষ্টার্জিত অর্থ বাগিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে শয়তানের উক্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। আবার এদের সঙ্গে যোগ দেয় স্বার্থবাদী ও ভণ্ড রাজনীতিবিদরা। কারণ জনগণকে বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় মত্ত রাখতে পারলে তারা রাজনৈতিক বহু ফায়েদা লুটে নিতে সক্ষম হবে। বর্তমানে হচ্ছেও তাই। মানুষ এতটাই মত্ত হয়েছে যে, পুরো দেশ রসাতলে গেলেও কোনো পরোয়া নেই। এছাড়াও বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনে রয়েছে নানা ধরনের ঈমানবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড। সুতরাং এমন আয়োজনে অংশগ্রহণ করে গোল বা বিজয় উদযাপন করতে গিয়ে সিজদা করা হারাম, ঈমানবিধ্বংসী কাজ এবং ইসলাম অবমাননার শামিল।

প্রশ্নকারী : আলী হোসেন

রাণীগঞ্জ, দিনাজপুর।


Magazine