কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (৪৩) : কেয়ামত সংঘটিত হবে তারপর হিসাব ও বিচারকার্য হবে তারপরেই মানুষের জান্নাত, জাহান্নাম নির্ধারণ হবে। অথচ হাদীছে এসেছে, রামাযান মাসে প্রতি রাতে কিছু জাহান্নামীকে মুক্ত করে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়। তাহলে কি কবর থেকে আগেই মানুষ জান্নাতে বা জাহান্নামে চলে যায়?

উত্তর : প্রশ্নোল্লেখিত রামাযান মাসে প্রতি রাতে কিছু জাহান্নামীকে মুক্ত করে ‘জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়’ বাক্যে ‘জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়’ এ কথা বলা হয়নি। শুধু জাহান্নাম থেকে মুক্ত করা হয় বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘রামাযান মাসে আল্লাহ প্রতি রাতে কিছু মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন’ (তিরমিযী, হা/৬৮২; ইবনু মাজাহ, হা/১৬৪২)। অনুরূপই মানুষ ৪০ দিন তাকবীরে উলা পেলে তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় (সিলসিলা ছহীহাহ, হা/৭৪৭)। এর অর্থ হলো ‘তাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত মানুষদের দলে শামিল করে দেওয়া হয়। তারা মৃত্যুর পরে জান্নাতের হক্বদার হবে। আর এটা জীবিত ইবাদতগুজার মানুষদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে। যেন তারা রামাযান মাসে বেশি বেশি ইবাদত করার মাধ্যমে নিজেদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্তদের দলে শামিল করে নিতে পারেন এবং কবরের শাস্তি থেকে নিরাপদ থাকতে পারেন।

 প্রশ্নকারী : রাশেদ আহমাদ সৈকত

সাঘাটা, গাইবান্ধা।

Magazine