উত্তর: সাহারী খাওয়ার জন্য হোক বা রান্না করার জন্য হোক অথবা তাহাজ্জুদে ডাকার জন্য হোক সবকিছুর সমন্বয়ে এ আযান দেওয়া হয়। ইবনু মাসঊদ রযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘বেলালের আযান যেন তোমাদের কাউকে সাহারী থেকে বিরত না রাখে। কেননা মুছল্লী ব্যক্তি বাড়ি ফিরে যায় এবং ঘুমন্ত ব্যক্তি জাগ্রত হয়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৯৬)। ইবনু আব্বাস রযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘ফজর দুই প্রকার- ১. প্রথম প্রকার হলো যাতে আহার করা হারাম নয় আর ছালাত আদায় হালাল নয়। ২. দ্বিতীয় প্রকার হলো যাতে খাবার খাওয়া হালাল নয় আর ছালাত আদায় করা হালাল’ (ছহীহ ইবনু খুযায়মা, হা/১৯২৭)। হাদীছের সারমর্মে বুঝা যায়, এটা সাহারী ও তাহাজ্জুদের সময়ের সমন্বয়, যার দ্বারা একটি সময়কে বুঝানো হয়েছে যাতে তৈরিকৃত খাবার খাওয়া বা খাবার তৈরি করা তাদের জন্য সহজ হয়।
প্রশ্নকারী : মইনুল ইসলাম