উত্তর : ধর্ষণের মাধ্যমে যদি যেনা সাব্যস্ত হয় এবং ধর্ষক বিবাহিত পুরুষ হয়, তাহলে তাকে পাথর মেরে হত্যা করতে হবে।
ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাথর দিয়ে হত্যা করেছেন। তারপর আমরাও রজম করেছি। আর রজমের বিধান আল্লাহর কিতাবের মাঝে অপরিহার্য সত্য, ঐ সমস্ত পুরুষ ও নারীর উপর যারা বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও যেনা করে। আর যখন তা প্রমাণ সাপেক্ষ হয় অথবা গর্ভধারিণী হয় অথবা স্বীকাররোক্তি দেয় (বুখারী, হা/৬৮৩০; মুসলিম, হা/১৬১৯; মিশকাত, হা/৩৫৫৭; ফারামী, হা/২৩৬৮; তিরমিযী, হা/১৪৩২; ইবনে মাজাহ, হা/২৫৫৩; ইবফ, ২৩৩৮)।
আর ধর্ষক অবিবাহিত হলে তার ব্যাপারে শারঈ বিধান হলো, একশ’ বেত্রাঘাত করা (নূর, ২) ও এক বছরের জন্য নির্বাসিত করা। যায়েদ বিন খালিদ আল-জুহানী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে একশ’ বেত্রাঘাত করার ও এক বছরের জন্য নির্বাসিত করার আদেশ দিতে শুনেছি, যে অবিবাহিত অবস্থায় যেনা করেছে (ছহীহ বুখারী, হা/৬৮৩১; মিশকাত, হা/৩৫৫৬)। উল্লেখ্য যে, ধর্ষণের কারণে মেয়ের উপরে শাস্তি প্রযোজ্য হবে না। তবে এক্ষেত্রে মেয়ের সম্মতি থাকলে তার উপরেও ঐ একই শাস্তি প্রযোজ্য হবে। তবে এ দণ্ডবিধি সরকার কার্যকর করবে।
-ইমদাদুল হক
শিবগঞ্জ, বগুড়া।
