উত্তর: যেকোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকল্পে ইসলামী স্কলারদের মাধ্যমে ইসলামী মাহফিল করা যায়। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবূকের যুদ্ধে ছাহাবীদের মাঝে ঘোষণা দিয়েছিলেন, যে এ যুদ্ধে সৈন্যদেরকে সাজিয়ে দিবে তার জন্য জান্নাত রয়েছে (ছহীহ বুখারী, হা/২৭৭৮)। অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের ছালাত সমাপ্তি লগ্নে মহিলাদের কাছে গিয়ে দান করতে উৎসাহিত করলেন (ছহীহ বুখারী, হা/৩০৪)। দান প্রকাশ্য ও গোপনীয় হতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা নিজেদের ধন-সম্পদ রাতে ও দিনে, গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে তাদের প্রতিদান তাদের রবের নিকট রয়েছে। আর তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না’ (আল-বাকারা, ২/২৭৪)। তবে গোপনীয় দান আল্লাহ তাআলার কাছে অতি উত্তম (ছহীহ বুখারী, হা/৬৬০; ছহীহ মুসলিম, হা/১০৩১)। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকল্পে ছওয়াবের আশায় দান করলে আল্লাহ তাআলা উত্তম পুরস্কার প্রদান করবেন। উছমান ইবনু আফফান রাযিয়াল্লাহু আনহু মসজিদ পুনর্নির্মাণ করতে চাইলেন। কিন্তু লোকেরা তা পছন্দ করল না এবং সেটিকে তার পূর্বের অবস্থায় রেখে দিতে চাইল। তখন তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে তার অনুরূপ একটি ঘর নির্মাণ করবেন’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৫৩৩)।
