কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (২): রামাযান মাস আসলে অনেকে তওবা করে, মসজিদে আসে, ভালো কাজের চেষ্টা করে। আবার রামাযান শেষ হলে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। এভাবে যারা সাময়িক সময়ের জন্য দ্বীনদার হয় তাদের বিধান কী?

উত্তর: রামাযান মাস মুসলিমদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস। এ মাসে দ্বীনদার হওয়া ভালো ও প্রশংসনীয়। আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যখন রামাযান মাস আগমন করে, তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়’, অন্য বর্ণনায় রয়েছে, ‘আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃঙ্খলিত (বেঁধে) রাখা হয়’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৮৯৯; ছহীহ মুসলিম, হা/১০৭৯)। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা করো, বিশুদ্ধ তওবা; সম্ভবত তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে প্রবেশ করাবেন জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত’ (আত-তাহরীম, ৬৬/৮)। কিন্তু রামাযান শেষ হলে আবার গুনাহে ফিরে যাওয়া পাপ এবং এটি ঈমানের দুর্বলতার লক্ষণ। কেননা তওবার একটি শর্ত হচ্ছে সেই গুনাহের কাজ ভবিষ্যতে না করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করা। সুতরাং রামাযান মাসে যারা তওবা করেছে তাদের উচিত হবে বাকি সময়গুলো তওবার উপরে অবিচল থাকা। এরপরেও কেউ যদি আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তাহলে তারা ইসলাম থেকে বের হয়ে যায় না এবং তাদের আমলও বাতিল হয়ে যায় না।

প্রশ্নকারী : যিনান আহবাব

কুমিল্লা।

Magazine