কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

বাংলাদেশ মৌলিক অধিকারে তলানিতে

দ্য ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট (ডব্লিউজেপি)-এর জরিপে বৈশ্বিক আইনের শাসন সূচকে বিশ্বের ১২৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১২তম। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে চতুর্থ। বিশ্বের ১২৬টি দেশের ওপর জরিপ করে সংস্থাটির প্রতিবেদনে দেখানো হয়, আইনের শাসন কার্যকরে সবচেয়ে ভালো (শীর্ষে) অবস্থানে রয়েছে শীর্ষ তিনটি দেশ। সেগুলো হচ্ছে- ডেনমার্ক, নরওয়ে ও ফিনল্যান্ড। এ দেশগুলোতে সরকার বিচারব্যবস্থার প্রতি হস্তক্ষেপ না করায় আইন নিজস্ব গতিতে চলে। মানুষ নাগরিক অধিকার ভোগ করে। আর আইনের শাসনের সবচেয়ে খারাপ (তলানি) তিনটি দেশ হলো- কঙ্গো, কম্বোডিয়া ও ভেনেজুয়েলা। সরকারের আইন তথা বিচারব্যবস্থার ওপর হস্তক্ষেপের কারণে নাগরিকরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকে। ‘আইনের শাসন সূচক-২০১৯’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দেখা যায়, এশিয়া মহাদেশেই আইনের শাসনে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও ভারত। এই তিন দেশের মানুষ বাংলাদেশের মানুষের চেয়ে কিছুটা হলেও বেশি আইনি সুরক্ষা পেয়ে থাকে। আর বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। এক বছর আগে ২০১৮ সালে সংস্থাটির করা জরিপের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০২তম।

ডব্লিউজেপি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আট বিষয়ভিত্তিক সূচকের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে নাগরিকের মৌলিক অধিকারের সূচকে। ১২৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে ১১৯তম অবস্থানে রয়েছে। নিয়ম ও নিরাপত্তার সূচকে বাংলাদেশ ১১৬ ও ফৌজদারি বিচারে ১১৪তম অবস্থানে রয়েছে। তবে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে উন্মুক্ত সরকারের সূচকে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৬তম। দ্য ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের ‘আইনের শাসন সূচক-২০১৯’ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬১টি দেশের আইনের শাসনের অবনতি হয়েছে। আইনের শাসনের সূচকে নিম্ন গতিতে বাংলাদেশের নিচে রয়েছে ভেনেজুয়েলা, চীন, তুরস্ক, মিয়ানমার, ইথিওপিয়া, মিসর ও ইরান।


Magazine