উত্তর : শুধু হজ্জ করলেই কাবীরা গোনাহ মাফ হবে না। বরং কাবীরা গোনাহ মাফের জন্য বিশেষভাবে তওবা করতে হবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ শিরক ব্যতীত অন্যান্য গোনাহ যাকে ইচ্ছা মাফ করে দিতে পারেন’ (নিসা ৪৮)। তিনি আরও বলেন, ‘হে নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনি তাদের বলে দিন, যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছে, তোমরা আল্লাহ্র রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’ (যুমার ৫৩)। তিনি আরও বলেন, ‘তিনি তার বান্দাদের তওবা কবুল করেন এবং পাপসমূহ মার্জনা করেন’ (শূরা ২৫)। উল্লেখ্য যে, কবীরা গোনাহ বান্দার সাথে সংশ্লিষ্ট হলে আল্লাহ তা ক্ষমা করবেন না, যতক্ষণ না ব্যক্তির নিকট থেকে ক্ষমা নেওয়া হবে। আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার কোনো মুসলিম ভাইয়ের উপর তার সম্মান বা অন্য কোনো বিষয়ে অত্যাচার করেছে, তবে সে যেন তার নিকট হতে তা মাফ করে নেয় ঐ দিনের পূর্বেই, যেদিন তার নিকট দিরহাম কিংবা দীনার কিছুই থাকবে না। আর যদি তার নিকট নেক আমল থাকে, তবে তার অত্যাচার পরিমাণ নেকী নেওয়া হবে, আর যদি তার কাছে নেকী না থাকে, তবে অত্যাচারিত ব্যক্তির গোনাহ তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে’ (বুখারী, হা/২৪৪৯; মিশকাত হা/৫১২৬)।
-আবুল বাশার
তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ।
