কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (১৬): মুযারাবা ও মুরাবাহা পদ্ধতিতে ব্যবসা কীভাবে হয়? এগুলো কি শরীআতসম্মত?

উত্তর: মুযারাবা পদ্ধতি হচ্ছে এক পক্ষ মূলধন দেবে, আর অপর পক্ষ শ্রম, দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনা দেবে। লাভ পূর্বনির্ধারিত অনুপাতে ভাগ হবে। লোকসান হলে মূলধনের লোকসান মূলধনদাতা বহন করবে, আর মুযারিবের লোকসান হবে তার শ্রম ও সময়; যদি সে অবহেলা বা চুক্তিভঙ্গ না করে। মুযারাবা বৈধ। হাকিম বিন হিযাম রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি যখন কাউকে মুযারাবা ভিত্তিতে অর্থ দিতেন, তখন এই শর্ত আরোপ করতেন যে, জানোয়ার ও কাঁচা অস্থায়ী মালে আমার পুঁজি লাগাবে না, আমার মাল সামুদ্রিক যানে চাপাবে না, কোনো প্লাবনভূমিতে তা নিয়ে রাখবে না। যদি তুমি এরূপ কিছু কর, তাহলে তুমি আমার মালের খেসারত দিতে বাধ্য থাকবে (দারাকুত্বনী, হা/৩০৩৩)। ইমাম মালিক মুওয়াত্ত্বায় বলেছেন, আলা বিন আব্দুর রহমান বিন ইয়াকূব হতে বর্ণিত, তিনি তার পিতা হতে, তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেন, তিনি (ইয়াকূব) উছমান (রা.)-এর মাল নিয়ে উভয়ের মধ্যে লাভ বণ্টিত হওয়ার শর্তে ব্যবসা করেছিলেন (সুনানে কুবরা, হা/১১৬০৬)। মুরাবাহা হলো এমন বিক্রয়, যেখানে বিক্রেতা ক্রেতাকে পণ্যের ক্রয়মূল্য জানিয়ে তার সঙ্গে নির্দিষ্ট লাভ যোগ করে বিক্রি করে। মুরাবাহা বৈধ, তবে বিক্রেতাকে আগে পণ্যের মালিক হতে হবে এবং প্রকৃত ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হতে হবে (আল-মুগনী, ৪/১৭৬)।

প্রশ্নকারী :  রাকিবুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও।


Magazine