আল্লাহর কৃপায় যেদিন নবপ্রতিষ্ঠিত হইলে
তুমি কি একা রহিয়াছিলে এই যমীনে সেইদিন?
তোমার সহিত ছিলাম মোরা, থাকিব চিরদিন।
তুমি ছিলে অস্তিত্বহীন এক বিসত্মীর্ণ ভূমি,
চারিদিক ঘিরিয়া ছিল তোমারে কত সুউচ্চ শাখী,
তোমারে দেখিয়া মোর মন আবেগী হইয়াছে আজি।
অদ্য তোমার বুকে হাঁটিতেছে কত কিশোর-কিশোরী
তরুণ-তরুণী, তাহাদিগের পদধ্বনি যেন প্রতিক্ষণে শুনিতেছি,
যেন শুনিতেছি কতেক ভবিষ্যৎ আলেম-ওলামার পদধ্বনি।
তোমার সর্বালয় হইতে আসিতেছে এক সজীব সমীরণ,
পবনে ভাসিতেছে কুরআন-সুন্নাহর বাণী গাহিতেছে এক তরুণ,
শুনিয়া মনুষ্য সমাজ ও শত্রুসম জন করিতেছে তোমার কীর্তন।
ঐ নিষ্পাপ শিশুগুলির বুলি কি তুমি শুনিতে পাও না?
ওহে! আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ!
সুরেলা কণ্ঠে তেলাওয়াত করিতেছে আলিফ-বা-তা।
আজি নিতান্ত একা, এক বিরল প্রান্তে দাঁড়াইয়া,
আমি আবেগী হইয়া, আমি নিস্তব্ধ হইয়া,
তোমার দিকে চাহিয়া দেখি।
চক্ষুদ্বয়ের কোণে সুখের পানি গড়াইয়া পড়ে,
ওরে! আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ!
যবে তোমার অস্তিত্বহীনতার কথা স্মরি ।
গ্রীষ্মের পরে আসে বর্ষা,
যমীনে পানি ঢালিয়া দেয় আল্লাহ,
বৃক্ষ-লতা ফিরিয়া পায় তাহাদিগের আপন সজীবতা,
আজি মোর নয়নজলে মিশিয়াছে সুখের বারিধারা।
আশীকুর রহমান
উত্তর নওদাপাড়া, রাজশাহী।
