উত্তর : মৃত ব্যক্তির জন্য নির্দিষ্ট কোন দু‘আ নেই, বরং যে কোন দু‘আ করা যেতে পারে। তবে হাদীছে বর্ণিত দু‘আগুলো করাই উত্তম (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৫২২ পৃঃ)। প্রচলিত দু’টি দু‘আ ছাড়াও আরও দু‘আ রয়েছে। যার কয়েকটি নিমেণ প্রদত্ত হলঃ
اللهم إِنَّ فُلاَنَ بْنَ فُلاَنٍ فِى ذِمَّتِكَ وَحَبْلِ جِوَارِكَ فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ النَّارِ وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ فَاغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ.
হে আল্লাহ! অমুকের পুত্র অমুক তোমার যিম্মাহ ও তোমার আনুগত্যে সমর্পণ করলাম। তুমি তাকে কবর ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও। তুমি ওয়াদা পালনকারী ও সত্যের অধিকারী। তুমি ক্ষমা কর ও তার প্রতি রহম কর। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু (আবুদাঊদ হা/৩২০২; ইবনু মাজাহ হা/১৪৯৯, সনদ ছহীহ)।
اللهم عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ احْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ وَأَنْتَ غَنِىٌّ عَنْ عَذَابِهِ فَإِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِىْ إِحْسَانِهِ وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَنْهُ.
হে আল্লাহ! নিশ্চয় তোমার বান্দা ও তোমার (নবীর) উম্মতের সন্তান তোমার রহমতের মুখাপেক্ষী। তুমি তার শাস্তি দূর করার ব্যাপারে স্বয়ং সম্পূর্ণ। যদি মুহসিন হয় তাহলে তার নেকী বৃদ্ধি কর। আর পাপী হলে তার পাপ মুছে ফেল (হাকেম হা/১৩২৭, সনদ ছহীহ)। এছাড়া ছাহাবা, তাবে-তাবেঈন ও সালফে ছালেহীন থেকেও বেশ কিছু দু‘আ বর্ণিত হয়েছে (الدعاء للميت وما ينفعه من القربات من الكتاب والسنة ১/৬-৯ পৃঃ)।
আব্দুল জলীল
বাগমারা, রাজশাহী।
