উত্তর : কোনো অবস্থাতেই কাউকে গালিগালাজ করা ঠিক নয়, বরং তা পাপের কাজ। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘মুসলিমকে গালি দেওয়া ফাসিক্বী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী’ (ছহীহ বুখারী, হা/৪৮; ছহীহ মুসলিম, হা/৬৪; মিশকাত, হা/৪৮১৪)। এমন পরিস্থিতিতে মেয়ে পক্ষাবলম্বনমূলক কোনো ভাব, ভাষা বা বাক্য বিনিময় না করে সত্য ও ন্যায়সংগত কথা বলবে। কেননা মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমনা যখন কথা বলবে তখন ইনছাফপূর্ণ কথা বলবে, নিকটাত্মীয়দের সম্পর্কে হলেও’ (আল-আন‘আম, ৬/১৫২)। অতএব, সত্য ও ন্যায়ের উপর অটল থাকলে অব্যশ্যই আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য নেমে আসবে। আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনটি জিনিস মুক্তিদানকারী এবং তিনটি জিনিস ধ্বংস সাধনকারী। মুক্তিদানকারী জিনিসগুলো হলো, প্রকাশ্যে ও গোপনে আল্লাহকে ভয় করা। খুশী ও অখুশী, সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয় অবস্থায় সত্য কথা বলা এবং ধনী ও দরিদ্র উভয় অবস্থায় মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা। পক্ষান্তরে ধ্বংস সাধনকারী জিনিসগুলো হলো, প্রবৃত্তির অনুসারী হওয়া, লোভ-লালসা-কৃপণতার দাস হওয়া এবং কোনো ব্যক্তি নিজ অহমিকায় লিপ্ত হওয়া। আর তা হলো সর্বাপেক্ষা জঘন্য (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/৭৪৫, ৭২৫২; সিলসিলা ছহীহাহ, হা/১৮০২; মিশকাত, হা/৫১২২)।
-মাহমূদা বেগম
বাগমারা, রাজশাহী।
