উত্তর: প্রশ্নোল্লিখিত পদ্ধতি সূদ থেকে বাঁচার হীলা বা অপকৌশল মাত্র। প্রকৃতপক্ষে জমির মালিকের ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা প্রয়োজন। সে ঋণদাতার কাছ থেকে উক্ত টাকা ঋণ নিয়েছে এবং ঋণ পরিশোধের ঝুঁকি এড়াতে উক্ত জমি বন্ধক রেখেছে। ঋণের টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঋণদাতা এই জমি ব্যবহার করতে থাকবে, বাস্তবতা এটাই। এক্ষেত্রে ইসলামের বিধান হলো, ঋণদাতা যদি ঋণের বিপরীতে কোনো সুবিধা গ্রহণ করে তাহলে তা সূদের আওতাভুক্ত (ছহীহ বুখারী, হা/৩৮১৪)। প্রশ্নকারী জমি কট রাখার বিষয়টিকে দোকান ভাড়া নেওয়ার সাথে গুলিয়ে ফেলেছেন। অথচ বিষয় দুটি আলাদা। দোকান ভাড়ার ক্ষেত্রে প্রথমে দোকানের মাসিক অথবা বাৎসরিক ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। এরপর দোকানের মালিক যামানত হিসেবে কিছু টাকা গ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে সেই টাকা ফেরত দেয়। এই পদ্ধতির সঙ্গে জমি কট রাখার পদ্ধতির মিল নেই।
প্রশ্নকারী : আবূ জোহা
