উত্তর : বিশেষ কোনো দো‘আ নেই। ইসলামী শরী‘আতে কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্য হ’ল মৃত্যু ও আখেরাতকে স্মরণ করা এবং মৃতের জন্য আল্লাহর নিকট মাগফেরাত কামনা করা। তাই কবর যিয়ারতের সময় মৃতের জন্য নিমেণাক্ত দু‘আ করাই যথেষ্ট, যা রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিখিয়ে দিয়েছেন,
اَلسَّلاَمُ عَلَى أَهْلِ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَيَرْحَمُ اللهُ الْمُسْتَقْدِمِيْنَ مِنَّا وَالْمُسْتَأْخِرِيْنَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللهُ بِكُمْ لَلاَحِقُوْنَ نَسْأَلُ اللهَ لَنَا وَلَكُمُ الْعَافِيَةَ .
উচ্চারণ : ‘আস্সালা-মু ‘আলা আহলিদ দিয়া-রি মিনাল মু’মিনীনা ওয়াল মুসলিমীনা; ওয়া ইন্না ইনশা-আল্লা-হু বিকুম লা লা-হেকূনা, নাসআলুল্লা-হা লানা ওয়া লাকুমুল ‘আ-ফিয়াতা’। অর্থ : ‘মুমিন ও মুসলিম কবরবাসীদের উপর শান্তি বর্ষিত হৌক। আমাদের অগ্রবর্তী ও পরবর্তীদের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। আল্লাহ চাহে তো আমরা অবশ্যই আপনাদের সাথে মিলিত হ’তে যাচ্ছি। আমাদের ও আপনাদের জন্য আল্লাহর কাছে মঙ্গল কামনা করছি’ (মুসলিম, হা/৯৭৪; মিশকাত, হা/১৭৬৪-৬৭)। উল্লেখ্য যে, এই দু‘আর সময় একাকী দু’হাত উঠানো যাবে, দলবদ্ধভাবে নয়। বাক্বী‘উল গারকাদ গোরস্থানে দীর্ঘক্ষণ একাকী দু‘আ করার সময় রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন বার হাত উঠিয়েছিলেন (মুসলিম, হা/৯৭৪)। তখন তিনি কোন ছাহাবীকে সাথে নিয়ে যাননি। অতএব, কবরস্থানে হাত তুলে দু‘আ করার বিষয়টি ব্যক্তিগত ব্যাপার।
-আল-আমীন তুষার
শিবগঞ্জ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
