কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

কুরআন তেলাওয়াতের আদব

post title will place here

কুরআন মাজীদ আল্লাহ তাআলার সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানী কিতাব। এটি শুধু পাঠ করার গ্রন্থ নয়, বরং জীবন পরিচালনার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা। তাই কুরআন তেলাওয়াত একটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত, যা সঠিক শিষ্টাচার ও আদবের সাথে সম্পন্ন করা জরুরী। আদব মেনে কুরআন তেলাওয়াত করলে তা শুধু মৌখিক পাঠে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা হৃদয়কে আলোকিত করে এবং জীবনকে ইলাহী আলোয় উদ্ভাসিত করে। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে কুরআন তেলাওয়াতের আদব সংক্রান্ত আলোচনা করা হলো।

(১) খালেছ নিয়্যতে কুরআন পড়া: কুরআনুল কারীম তেলাওয়াতের আদব হলো, আল্লাহর জন্য নিয়্যতকে খালেছ করা। কারণ কুরআন তেলাওয়াত একটি মহৎ ইবাদত, যার মূল ভিত্তি ইখলাছের উপর প্রতিষ্ঠিত। ইখলাছ বা একনিষ্ঠতা না থাকলে তা বাতিল হবে। মহান আল্লাহ বলেন, فَاعْبُدِ اللهَ مُخْلِصًا لَّهُ الدِّينَ ‘সুতরাং আপনি একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদত করুন’ (আয-যুমার, ৩৯/২)। তিনি আরও বলেন,وَمَا أُمِرُوا إِلَّا لِيَعْبُدُوا اللهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ حُنَفَاءَ ‘তাদেরকে একমাত্র নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এজন্য যে, তারা আল্লাহর ইবাদত করবে খাঁটি মনে ইখলাছের সঙ্গে’ (আল-বায়্যিনাহ, ৯৮/৫)

জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,اقْرَءُوا الْقُرْآنَ وَابْتَغُوا بِهِ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِىَ قَوْمٌ يُقِيمُونَهُ إِقَامَةَ الْقِدْحِ يَتَعَجَّلُونَهُ وَلاَ يَتَأَجَّلُونَهُ ‘তোমরা কুরআন তেলাওয়াত করো এবং এ তেলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করো। এ আমল করো ঐ সম্প্রদায়ের আগমনের পূর্বে, যারা কুরআন তিরের মতো সোজা করে পড়বে, কুরআন দ্রুত পড়বে তথা এর দ্বারা দুনিয়ার প্রতিদান তালাশ করবে আর পরকালের জন্য তেলাওয়াত করবে না’।[1]

(২) উপস্থিত মন নিয়ে তেলাওয়াত করা: যা পড়বে, তা নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করবে, এর অর্থ অনুধাবনের চেষ্টা করবে, সে সময় তার অন্তর বিনয়ী হবে এবং সে নিজের অন্তরকে এমনভাবে হাযির করবে, যেন এ কুরআনে আল্লাহ তার সঙ্গে সংলাপ করছেন। তিনি বান্দাকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন বিষয়ে আদেশ-নিষেধ করেছেন। সেজন্য আল্লাহর আদেশ-নিষেধকে যথাযথভাবে বুঝে তা পালন করা আবশ্যক। আর আদেশ-নিষেধ অনুধাবন করা কুরআন তেলাওয়াতের অন্যতম উদ্দেশ্য। কারণ কুরআন তো মহান আল্লাহর বাণী (ছোয়াদ, ৩৮/২৯; মুহাম্মাদ, ৪৭/২৪)

(৩) আয়াতের সাথে প্রভাবিত হওয়া: প্রত্যেকটি আয়াতের প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। অনুরূপভাবে নবী-রাসূলগণ আলাইহিমুস সালাম-এর ঘটনাবলি সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করা যে, কীভাবে তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করা হয়েছিল, কীভাবে তাদেরকে কষ্ট দেওয়া হয়েছিল, মুত্তাক্বীদের কী পরিণতি হয়েছিল ইত্যাদি। আমাদের এসব বিষয় নিয়ে চিন্তা করা এবং তা থেকে উপদেশ গ্রহণ করা উচিত।

(৪) পবিত্র অবস্থায় তেলাওয়াত করা: এটা আল্লাহর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ। অপবিত্র ব্যক্তি অর্থাৎ যার উপর গোসল ফরয, এমন ব্যক্তি গোসল না করা পর্যন্ত কুরআন পাঠ করবে না। সম্ভব হলে পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করবে, যদি পানি না পাওয়া যায় কিংবা রোগের কারণে ব্যবহার করতে অক্ষম হয়, তাহলে তায়াম্মুম করে পবিত্রতা অর্জন করবে।

(৫) মিসওয়াক করা: কুরআন তেলাওয়াতের পূর্বে মিসওয়াক করে মুখ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা উচিত। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, إِنَّ أَفْوَاهَكُمْ طُرُقٌ لِلْقُرْآنِ، فَطَيِّبُوهَا بِالسِّوَاكِ ‘তোমাদের মুখ হলো কুরআনের রাস্তা। অতএব, তোমরা মিসওয়াক করে তা পবিত্র ও সুগন্ধযুক্ত করো’।[2] অন্য বর্ণনায় এসেছে, فَطَهِّرُوْا أَفْوَاهَكُمْ لِلْقُرْﺁنِ ‘অতএব, তোমরা কুরআনের জন্য তোমাদের মুখকে পবিত্র করো’।[3]

(৬) নোংরা জায়গা বা মনোযোগ নষ্ট করবে এমন জনসম্মুখে কুরআন তেলাওয়াত না করা: নোংরা কিংবা এমন স্থান যেখানে তেলাওয়াত শোনার মতো পর্যাপ্ত একাগ্রতার অভাব, সেখানে কুরআন তেলাওয়াত করা কুরআনকে অপমান করার শামিল। টয়লেট কিংবা পেশাব-পায়খানার জন্য বরাদ্দকৃত স্থানে কুরআন তেলাওয়াত করা জায়েয নেই। কারণ এসব স্থানে কুরআন তেলাওয়াত করা মানে কুরআনের মযার্দার সঙ্গে মানানসই নয়।

(৭) তেলাওয়াতের শুরুতে আঊযুবিল্লাহ… ও বিসমিল্লাহ… পড়া: কুরআন তেলাওয়াতের শুরুতে আরেকটি আদব হলো, তেলাওয়াতের শুরুতে আঊযুবিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বানির রজীম পড়া। কেননা আল্লাহ বলেছেন,فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ ‘যখন আপনি কুরআন পাঠ করবেন, তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবেন’ (আন-নাহল, ১৬/৯৮)। যাতে করে শয়তান কুরআন তেলাওয়াত থেকে কিংবা তেলাওয়াত পরিপূর্ণ করা থেকে বাধা না দিতে পারে। তবে সূরার মাঝখান থেকে তেলাওয়াত শুরু করলে বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম পড়বে না। সূরা শুরু থেকে পাঠ করলে বিসমিল্লাহ… বলবে। অবশ্য সূরা তাওবার শুরুতে বিসমিল্লাহ… পড়বে না। কারণ এ সূরার সূচনায় বিসমিল্লাহ… নেই।

(৮) কণ্ঠ সুন্দর করা এবং সুর দিয়ে তেলাওয়াত করা: সুর দিয়ে তেলাওয়াত করা সুন্নাত। আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,مَا أَذِنَ اللَّهُ لِشَىْءٍ مَا أَذِنَ لِلنَّبِىِّ أَنْ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ ‘আল্লাহ তাআলা কোনো কিছু এমনভাবে শ্রবণ করেন না, যেভাবে তিনি সুন্দর স্বরবিশিষ্ট নবীর পড়াকে শ্রবণ করেন। যিনি কুরআন তথা কিতাবকে সুর দিয়ে পড়েন’।[4]

(৯) তারতীলসহ বা ধীরস্থিরভাবে সুন্দররূপে তেলাওয়াত করা: মহান আল্লাহ বলেন, وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا ‘আর আপনি কুরআনকে তারতীলের সঙ্গে তথা ধীরস্থিরভাবে থেমে থেমে সুন্দররূপে তেলাওয়াত করুন’ (আল-মুযযাম্মিল, ৭৩/৪)। কুরআন তেলাওয়াত করবে ধীরস্থিরভাবে, দ্রুত নয়। কারণ ধীরস্থিরভাবে তেলাওয়াত করা শব্দ ও অক্ষর সঠিকভাবে উচ্চারণ এবং কুরআনের অর্থ অনুধাবনে অধিক সহায়ক। ক্বাতাদা রাহিমাহুল্লাহ বলেন,سُئِلَ أَنَسٌ كَيْفَ كَانَتْ قِرَاءَةُ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَتْ مَدًّا. ثُمَّ قَرَأَ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، يَمُدُّ بِبِسْمِ اللهِ، وَيَمُدُّ بِالرَّحْمَنِ، وَيَمُدُّ بِالرَّحِيمِ আনাস ইবনু মালেক রাযিয়াল্লাহু আনহু-কে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ক্বিরাআত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন, তার ক্বিরাআত ছিল দীর্ঘ আকারের। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম টেনে টেনে পড়তেন। এরপর তিনি পড়লেন, بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيم তিনি بِسْمِ الله (বিসমিল্লাহ) দীর্ঘ করলেন, الرَّحْمَن (রহমান) দীর্ঘ করলেন আর الرَّحِيم (রহীম) দীর্ঘ করলেন।[5] অবশ্য এমন দ্রুত পাঠে কোনো সমস্যা নেই, যেখানে অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না।

(১০) গুরুত্বপূর্ণ অর্থবহ আয়াতের পুনরাবৃত্তি করা: গুরুত্বপূর্ণ আয়াতের অর্থ ও মর্ম অনুধাবনের জন্য একই আয়াত বারবার তেলাওয়াত করা যায়। আবূ যার রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদা নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছালাতে দাঁড়িয়ে ভোর হওয়া পর্যন্ত একটি আয়াত বারবার তেলাওয়াত করতে থাকেন। আয়াতটি হলোإِن تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِن تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ‘আপনি যদি তাদের শাস্তি দেন, তবে তারা তো আপনারই বান্দা। আর আপনি যদি তাদের ক্ষমা করেন; তবে আপনি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়’ (আল-মায়েদা, ৫/১১৮)[6]

(১১) বিনম্রভাবে তেলাওয়াত করা: বিনম্রভাবে বা কান্নাজড়িত কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত করা। যেমন আল্লাহ বলেছেন, وَيَخِرُّونَ لِلْأَذْقَانِ يَبْكُونَ وَيَزِيدُهُمْ خُشُوعًا ‘আর তারা কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং তাদের বিনয়চিত্ততা আরও বৃদ্ধি পায়’ (বনী ইসরাঈল, ১৭/১০৯)। মুত্বাররিফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে শিখখীর রাহিমাহুল্লাহ স্বীয় পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তখন তিনি ছালাত আদায় করছিলেন এবং তাঁর ভিতর থেকে টগবগে আওয়াজ হচ্ছিল। যেমন ডেগের ফুটন্ত পানির টগবগ আওয়াজ হয় অর্থাৎ তিনি কান্না করছিলেন।[7]

(১২) রহমতের আয়াত আসলে তা চাওয়া এবং আযাবের আয়াত আসলে তা হতে আশ্রয় চাওয়া: কুরআন তেলাওয়াতকালে রহমতের আয়াত আসলে আল্লাহর নিকটে রহমত প্রার্থনা করা এবং আযাবের আয়াত আসলে তা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করা কর্তব্য।[8]

(১৩) তেলাওয়াতে সিজদা করা: কুরআন তেলাওয়াতকারী যখন সিজদার আয়াত পড়বেন, তখন আয়াত পূর্ণ করে তেলাওয়াতে সিজদা দিবেন। সিজদা আদায়ের নিয়ম হলো সিজদার জন্য প্রথমে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে সিজদায় যাবে এবং সিজদায় গিয়ে বলবে,

سَجَدَ وَجْهِي لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ، بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ.

অতঃপর সিজদা থেকে তাকবীর ছাড়াই উঠবে এবং সালাম ফেরাবে না। কারণ তেলাওয়াতে সিজদা থেকে উঠার সময় তাকবীর ও সালাম দেওয়ার কোনো বর্ণনা রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পাওয়া যায় না। তবে যদি তেলাওয়াতে সিজদাটি ছালাতের মধ্যে হয়, তখন সিজদা দেওয়ার সময় এবং সিজদা থেকে মাথা উঠানোর সময়ও তাকবীর দিবে।[9]

(১৪) কুরআন তেলাওয়াত শেষে দু‘আ করা: কুরআন তেলাওয়াত শেষে চুমু খাওয়া ও ‘ছাদাক্বাল্লাহুল আযীম’ বলার কোনো দলীল পাওয়া যায় না। বরং কুরআন তেলাওয়াত শেষে বলতে হয়,سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لآ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ উচ্চারণ: ‘সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া-বিহামদিকা, আশহাদু আল-লা ইলা-হা ইল্লা আংতা, আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলায়কা’। অর্থ: ‘মহাপবিত্র আপনি, হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসার সাথে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার দিকেই ফিরে যাচ্ছি’।[10]

এ হলো কুরআন তেলাওয়াতের কতিপয় আদব। সুতরাং হে পাঠকবৃন্দ! এসব আদবের প্রতি যথাযথ লক্ষ রেখে বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করুন এবং আল্লাহর মেহেরবানী ও করুণা অন্বেষণ করুন।

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের সেভাবে কুরআন তেলাওয়াতের তাওফীক্ব দিন, যেভাবে তেলাওয়াত করলে আপনি খুশি হবেন। কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আপনি আমাদের শান্তির পথ দেখান, এর দ্বারা আমাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোয় বের করে আনুন এবং একে আমাদের আমাদের পক্ষে দলীল বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আপনার আপন করুণায় এ কুরআনের মাধ্যমে জান্নাতে আমাদের উঁচু স্তর প্রদান করুন এবং জাহান্নাম থেকে নাজাত দিন। আমাদের যাবতীয় গুনাহের ক্ষতিপূরণ করে দিন। হে আল্লাহ! আপনি আপনার সম্মানিত বস্তুগুলোকে সম্মান করার, আপনার দানগুলো আহরণ করে সফলতা লাভ করার এবং আপনার জান্নাতসমূহের ওয়ারিছ হওয়ার তাওফীক্ব দিন। হে পরম করুণাময়! আপনি আমাদেরকে, আমাদের পিতা-মাতাকে ও সকল মুসলিমকে স্বীয় রহমতে ক্ষমা করুন- আমীন!

 আব্দুল মালেক বিন ইদ্রিস

বিএ, অনার্স, হাদীছ বিভাগ, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

 

[1]. আহমাদ, হা/১৪৮৯৮; আবূ দাঊদ, হা/৮৩০; মিশকাত, হা/২২০৬, হাদীছটি ছহীহ।

[2]. ইবনু মাজাহ, হা/২৯১; সিলসিলা ছহীহা, হা/১২১৩।

[3]. সিলসিলা ছহীহা, হা/১২১৩; ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২১৫।

[4]. ছহীহ বুখারী, হা/৫০২৩, ৫০২৪; ছহীহ মুসলিম, হা/৭৯২; মিশকাত, হা/২১৯২।

[5]. ছহীহ বুখারী, হা/৫০৪৬; মিশকাত, হা/২১৯১।

[6]. ইবনু মাজাহ, হা/১৩৫০; নাসাঈ, হা/১০১০; মিশকাত, হা/১২০৫, সনদ ছহীহ।

[7]. আবূ দাঊদ, হা/৯০৪; নাসাঈ, হা/১২১৪; মিশকাত, হা/১০০০, হাদীছটি ছহীহ।

[8]. ছহীহ মুসলিম, হা/৭৭২; আবূ দাঊদ, হা/৮১৫; নাসাঈ, হা/১৬৬৪।

[9]. ছহীহ মুসলিম, হা/৩৯২; ছহীহ ইবনু খুযায়মা, হা/৪৭৩; নাসাঈ, হা/১১৪৯; বায়হাক্বী, শুআবুল ঈমান, হা/২৮৬৮।

[10]. নাসাঈ, হা/৩০৮; মিশকাত, হা/২৪৩৩, ২৪৫০।

Magazine