কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (২০) : ছহীহ হাদীছে এসেছে যে, ছাওবান রাযিয়াল্লাহু আনহুহতে বর্ণিত, নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেন, ‘সফরে রাত্রি জাগরণ কষ্টসাধ্য ও কঠিন ব্যাপার। অতএব, তোমাদের কেউ যখন প্রথম রাত্রে বিতর পড়বে, তখন যেন বিতরের পরে দুই রাক‘আত নফল পড়ে নেয়। অতঃপর যদি শেষ রাতে উঠতে পারে তাহলে তাহাজ্জুদের বাকী ছালাত পড়ে নিবে। আর যদি শেষ রাতে উঠতে না পারে তাহলে প্রথম রাতের দুই রাক‘আত নফল ছালাতই তার তাহাজ্জুদের ছালাতের জন্য যথেষ্ট হবে’ (দারেমী, হা/১৫৯৪, সনদ ছহীহ; মিশকাত, হা/১২৮৬)। প্রশ্ন হলো, এমতাবস্থায় কেউ পুনরায় রাতে উঠতে সক্ষম হয় তাহলে কি তাকে বিতরসহ পূর্ণ ৮ রাক‘আত তাহাজ্জুদ পড়তে হবে? না ৬ রাক‘আত পড়তে হবে?

উত্তর : এমতাবস্থায় রাতে জাগতে পারলে ৮ রাক‘আতই পড়বে। রাতের প্রথমভাগে যে দুই রাক‘আত পড়া হয়েছিল সে দুই রাক‘আত রাতের নফল ছালাত বলে গণ্য হবে। কারণ রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর ছালাতের পরও দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করতেন (তিরমিযী, হা/৪৭৩, ইবনে মাজাহ, হা/১২৫১, মিশকাত, হা/১২৮৪)। উক্ত হাদীছ প্রমাণ করে বিতর ছালাতের পরে দুই রাকা‘আত নফল ছালাত আদায় করা যায়। তবে পুনরায় বিতর পড়তে হবে না। অনেকেই পুনরায় বিতর পড়ে বিতরকে জোড়া বানিয়ে নেয়। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘এক রাতে দুইবার বিতর নেই’ (আবুদাঊদ, হা/১৪৩৯; নাসাঈ, হা/১৬৭৯; তিরমিযী, হা/৪৭০)। আর এভাবে জোড়া করে পুনরায় বিতর দিয়ে রাত শেষ করতে গেলে এক রাতে তিন বিতর হয়ে যায়।

-হুসাইন

শোলাকিয়া, কিশোরগঞ্জ।


Magazine