উত্তর: আত্মসাৎ (অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে নিজের করে নেওয়া বা অবৈধভাবে ভোগ করা) ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম। আল্লাহ তাআলা বলেন,يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না’ (আন-নিসা, ৪/২৯)। অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, وَمَنْ يَغْلُلْ يَأْتِ بِمَا غَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‘যে ব্যক্তি খিয়ানত (আত্মসাৎ) করবে, কিয়ামতের দিন সে আত্মসাৎকৃত বস্তু বহন করে (সকলের সামনে) উপস্থিত হবে’ (আলে ইমরান, ৩/১৬১)। প্রশ্নে উল্লিখিত আত্মসাৎ করার প্রচেষ্টাকারী ব্যক্তিকে প্রথমত আত্মসাৎ করার ভয়াবহতা ও শাস্তি সম্পর্কে অবগত করে নছীহত করতে হবে। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ، وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَان ‘তোমাদের কেউ যদি কোনো অন্যায় দেখে, তাহলে সে যেন অবশ্যই তা স্বহস্তে পরিবর্তন করে। আর যদি (স্বহস্তে পরিবর্তন করতে) সক্ষম না হয়, তাহলে যেন মুখ (বাক্য) দ্বারা প্রতিবাদ করে। আর যদি এতেও সক্ষম না হয়, তাহলে যেন অন্তর দ্বারা ঘৃণা করে। তবে এটা ঈমানের দুর্বলতম স্তর’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৪৯)। ভালোভাবে উপদেশ দেওয়ার পরও যদি কাজ না হয়, তাহলে প্রশাসনের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কখনোই তাকে নিজের ইচ্ছামত শাস্তি প্রদান করা যাবে না।
প্রশ্নকারী : ওয়াকিল আহমেদ
